আইএস যেথা ভীত সন্ত্রস্ত
July 6, 2016
Bangladeshism Desk (768 articles)
0 comments
Share

আইএস যেথা ভীত সন্ত্রস্ত

ঢাকার গুলশানে শতাব্দীর পুরোন বাকধারা “ভেতো বাঙালী” কাপুরুষ বলে যে  আভিধানিক অর্থ ছিল টা আর একবার প্রমাণ করল তথাকথিত নোংরা আস্তাকূঁড়ের কিছু বাঙালী সন্তান; যাদের বাঙালী বলতে নিজের প্রতিই ধিক্কার জন্মায়। নিজেদের তাঁরা আইএস সদস্য বলে গর্ব করে। কতগুলো নিরস্র মানুষকে অস্রের মুখে জিম্মী করে নির্মম ভাবে হত্যা করাকে কাপুরুষের কান্ড বলব না তো কি বলব!

বিশ্বের গত কয়েক বছরের ইতিহাস দেখলে দেখবেন যে আইএস শুধু আক্রমন করেছে, লেবানন, কুয়েত, ইন্দোনেশিয়া, স্পেন, গ্রীস, টার্কি, মিশর, চীন,ভারত, ফ্রান্স, ক্রোয়েশিয়া- এমনি বিভিন্ন নামের সাথে সব শেষে যোগ হল বাংলাদেশের।

এখন প্রশ্ন জাগে মাত্র ২০/২২ বছরের অপরিণতঃ বয়স্ক বাচ্চাদের দিয়ে এইসব কান্ড ঘটিয়ে যে পরিণত বয়স্ক মানুষ নামের জানোয়ার গুলো- কত মায়ের বুক খালি করছে তার কোন হিসেব নেই। তাহলে ঐ জানোয়ারদের কেন আইএস জঙ্গীরা টার্গেট করে না। কিসের ভয়ে ভীত আমার আইএস জঙ্গীরা।

তিল তিল করে সদ্য ভূমিষ্ট হওয়া সন্তানকে প্রতিটি বাবা-মা কত আদর যত্ন স্নেহ মায়া মমতা দিয়ে বুকের অমৃত সূধা পান করিয়ে মানুষ করে। সে সব মানব সন্তানদের শরীয়া আইন সারা বিশ্বে প্রতিষ্ঠা করার যে উন্মাদনায় এ কোন জঙ্গী নেশায় মেতেছে বাঙালী আইএস। যত দূর জানি ইসলাম র্ধ্মের উত্থান ৬১০ খ্রীষ্টাব্দে। তাহলে তার আগে কি বিশ্বে আইন ছিল না? আইন কি তখন মানুষ তৈরী করেনি? ইসলাম র্ধ্মের আগে যে সব আইন সৃষ্টি হয়েছিল  তাতো শরীয়া আইন নয়।

হে বাঙালী আইএস জঙ্গী ভাই, তোমাদের প্রশ্ন করি তোমরা কিসের নেশায় পতঙ্গের মত কীটস্য-কীটের মত এই নীরিহ নিরস্ত্র মানুষ খুনে উল্লসিত।

আজ ভেবে দেখ ফারাজের মা শ্রদ্ধেয়া সীমিনের কথাঃ তার বুক ভেঙে ছারখার। যে সীমিন নেসলের গুঁড়ো দুধের বিজ্ঞাপনে অভিনয় করেছিল। কোটি কোটি লোক তার অভিনীত বিজ্ঞাপন দেখেছে।আজ আমরা সবাই বাঙালীরা কি মর্মাহত নই ফারাজের মৃত্যুতে?

হে বাঙালী আইএস জঙ্গীরা তোরা একবার চিন্তা করে দেখ ইসলাম র্ধ্মের শুরুর আগে পৃথিবী ছিল, পৃথিবীতে রাষ্ট্র ছিল, রাষ্ট্রের আইন ছিল, আর সে আইন মানুষই সৃষ্টি করে ছিল, কোন গায়েবি পুস্তক নয়। তাহলে বাঙালী আইএস জঙ্গী তোরা কিসের ভয়ে ভীত- তোদের স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র কেন ঐ হারামজাদাদের বুক ঝাঁঝারা করে দেয় না, যারা তোদের মত  বাঙালী আইএস জঙ্গীদের দিয়ে সীমিনের মত শত শত মায়ের বুক ঝাঁঝারা করে দিচ্ছে। বিশ্বের শত শত মায়ের ক্রন্দনের  সাথে আমাদের হাহাকার মিশে যাচ্ছে ঐ সারমেয়দের নোংরা খেলায়।

ঐ বিষ্ঠাখোর শয়তান ইবলিসের দোসররা তোদের কিসের লোভ দেখিয়ে নিজ হাতে নিজের ভাইকে  জবাই করাচ্ছে। ওরে নরাধম বাঙালী আইএস জঙ্গী তোদের তো উচিত ঐ devil  দের সপরিবারে জবাই করা। যাতে কোন দিনও ওরা ফারাজের মত শুভ্র সুন্দর সন্তানদের হত্যা না করে।আজ শত শত বাঙালী আইএস জঙ্গীদের প্রতি আহবান, তোরা তো ট্রেনিং এর সময় ঐ জল্লাদদের কাছ থেকে দেখতে পাস, চিনতে পারিস- তাহলে তোদের ভয় কি — ঐ নোংরা জীব গুলোকে তোরা খতম কর। বাঙালী আইএস জঙ্গীরা তোমাদের কিসের ভয়, তোমরা তো সুইসাইড স্কোয়াড- তাহলে হে বাঙালী আইএস জঙ্গী তোমরা আর একবার গর্জে উঠ ঐ অন্ধ নরাধ্ম নরপীচাশদের খতম কর- ভয় পেয়োনা বাঙালী আইএস জঙ্গী তোমাদের সাথে ২০ কোটি বাঙালী আছে।

ঐ যে তোমাদের নেতা বাঘদাদা নাকি বাঘদাদী ওর প্রতি ঘৃণায় শত কোটি বাঙালীর রোশানল উৎগীরণ হবে… তোমরা বাঙালী আইএস জঙ্গী তোমাদের কোন এক বাঙালী ভাই খুদীরামের মত, মাষ্টার দা সূর্যসেনের মত বাঘদাদা নাকি বাঘদাদীকে যারা টাকা দেয় পয়সা দেয় পরিচালনা করে তাদের খতম কর। আর ভয় পেয়না বাঙালী আইএস জঙ্গী তোমরা ওদের বুঝিইয়ে দাওযে বাঙালী সন্তানেরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে সদা জাগ্রত সদা প্রস্তুত।

১৯৭১ এ, পাকিস্তানের বর্বরচিত হামলা যদি আমরা লুঙ্গি পরে খালি পায়ে খালি গায়ে যুদ্ধ করে রোধ করতে পারি   –  তাহলে তোমরা বাঙালী আইএস জঙ্গীরা কেন বাংলাদেশের পরবর্তি প্রজন্ম মুক্তিযোদ্ধাদের উত্তরসূরী এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে

উঠবে না। কেন তোমাদের স্বয়ংক্রিয় স্টেনগান ওদের বিরুদ্ধে গর্জাবেনা।

আর ভয় পেয় না অকুত ভয় তোমরা, এবার তোমাদের অস্ত্র গর্জে উঠুক যারা তোমাদের মত কমল মতি কিশোরদের এক নেশার রাজ্যেপৌঁছে দিয়ে তোমাদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে।

এবার এসো তৈরী হও আর ভয় পেয় না বাংলার শত উচ্চারিত কবিতার ভাষায় বলি,

“ এখন যৌবন যার আইএস কে খতম করার শ্রেষ্ঠ সময় তার ” ।

লেখক – “নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক”

আপনার মন্তব্য

Comments

No Comments Yet! You can be first to comment this post!

Write comment

Your data will be safe! Your e-mail address will not be published. Also other data will not be shared with third person. Required fields marked as *