রামপালের সম্ভাব্য ১০টি বিপর্যয় ! !

20077
SHARE

রামপাল বিদ্যু কেন্দ্র নির্মাণ পর্যায়ে কৃষি ও পরিবেশের উপর এর ক্ষতিকর প্রভাব এবং পরবর্তীতে বিদ্যু কেন্দ্র অপারেশনে থাকার সময়কার ক্ষতিকর ১০টি প্রভাব কি হতে পারে? কয়লা বিদ্যু কেন্দ্রটিতে ৬৬০ মেগাওয়াটের দুইটি বিদ্যুপাদন ইউনিট থাকবে। প্রথম ইউনিটটি নির্মাণের জন্য ৪৮ মাস বা চার বছর এবং দ্বিতীয় ইউনিটটি শেষ হতে আরো ৬ মাস বাড়তি অর্থা মোট সাড়ে ৪ বছর সময় লাগবে। এছাড়া রামপাল কয়লা বিদ্যু কেন্দ্রের ইআইএ রিপোর্টে পরিচালন পর্যায় কে ২৫ বছর ধরা হয়েছে। এই ২৫ বছর ধরে কয়লা বিদ্যু কেন্দ্রটি সুন্দরবনের পরিবেশের উপর নিম্নলিখিত প্রভাব ফেলবে।

চলুন তাহলে জেনে নেই  সুন্দরবনে রামপাল বিদ্যু কেন্দ্র হলে , সুন্দর বনের এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় বিদ্যু কেন্দ্রের ফলে সম্ভাব্য ১০ টি  ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে।

১ ) রামপালে ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যু কেন্দ্রের জন্য ১৮৩৪ একর কৃষি, মস চাষ ও আবাসিক এলাকার জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে যদিও ভারতে একই আকারের একটি প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে ৭৯২ একর যার বেশির ভাগটাই এক ফসলি কিংবা অনুর্বর পতিত জমি। বিদ্যু কেন্দ্রের ১০ ব্যাসার্ধের মধ্যে বছরে ৬২,৩৫৩ টন এবং প্রকল্প এলাকায় ১২৮৫ টন ধান উপাদিত হয়।ধান ছাড়াও বিদ্যু কেন্দ্রের ১০ ব্যাসার্ধের মধ্যে বছরে  ১,৪০,৪৬১ টন অন্যান্য শস্য উপাদিত হয়। প্রতি বাড়িতে গড়ে ৩/৪টি গরু, ২/৩টি মহিষ, ৪টি ছাগল, ১টি ভেড়া, ৫টি হাস, ৬/৭টি করে মুরগী পালন করা হয়।

২ ) ম্যানগ্রোভ বনের সাথে এলাকার নদী ও খালের সংযোগ থাকায় এলাকাটি স্বাদু ও লোনা পানির মাছের সমৃদ্ধ ভান্ডার। জালের মতো ছড়িয়ে থাকা খাল ও নদীর নেটওয়ার্ক জৈব বৈচিত্র ও ভারসাম্য রক্ষা করে। বিদ্যু কেন্দ্র নির্মাণের মালামাল ও যন্ত্রপাতি সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে নদী পথে পরিবহন করা হবে। এর ফলে বাড়তি নৌযান চলাচল, তেল নি:সরণ, শব্দদূষণ, আলো, বর্জ্য নি:সরণ ইত্যাদি পরিবেশ আইন অনুসারে নিয়ন্ত্রণ করা কোণ ভাবেই সম্ভব নায় । ফলে  সুন্দরবনের ইকো সিস্টেম বিশেষ করে রয়েল বেঙ্গল টাইগার, হরিণ, ডলফিন, ম্যানগ্রোভ বন ইত্যাদির উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে বলে ইআইএ রিপোর্টে আশংকা করা হয়েছে।

৩ ) প্রকল্পের জন্য ব্যবহ্রত যন্ত্রপাতি, যানবাহন, জেনারেটর, বার্জ ইত্যাদি থেকে তেল পুড়িয়ে ক্ষতিকর কার্বন ডাই অক্সাইড ও নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড নির্গত হবে। এই কার্বন ও নাইট্রোজের পরিমাণ কি হবে ও ক্ষীতকর প্রভাবই বা ৪/৫ বছরের নির্মাণ পর্যায়ে কিরুপ হবে তার কোন  পর্যালোচনা ইআইএ রিপোর্টে করা হয় নি। নির্মাণ কাজের যন্ত্রপাতি ও যানবাহন ব্যাবহারের ফলে শব্দ দূষণ হবে। এক্ষেত্রেও নির্মাণ পর্যায়ে শব্দ দূষণের মাত্রা  এবং সুন্দরবন ও প্রকল্পের চারপাশের পরিবেশের উপর কি প্রভাব পড়বে তা যাচাই করা হয় নি ইআইএ রিপোর্টে। নির্মাণ পর্যায়ে বিভিন্ন ধরণের কঠিন বর্জ্য তৈরী হবে যা সঠিক পরিবেশ ব্যাবস্থাপনার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা না হলে পরিবেশ এর উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে বলে আশংকা করা হয়েছে।

৪ ) নির্মাণ স্থলের নিকটবর্তি নদী-খালের পানিতে নির্মাণ যন্ত্রপাতি ও যানবাহনের তেল নি:সরিত হয়ে পানি দূষণ ঘটাতে পারে।ড্রেজিং এর ফলে নদীর পানি ঘোলা হবে।  ড্রেজিং সঠিক ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা না হলে তেল গ্রীজ ইত্যাদি নি:সৃত হয়ে নদীর পানির দূষিত হবে।পশুর নদীর তীরে যে ম্যানগ্রোভ বনের সারি  আছে তা নির্মাণ পর্যায়ে জেটি নির্মান সহ বিভিন্ন কারণে কাটা পড়তে পরবে। নদী তীরের ঝোপঝাড় কেটে ফেলার কারণে ঝোপ ঝারের বিভিন্ন পাখি বিশেষ করে সারস ও বক জাতীয় পাখির বসতি নষ্ট হবে।

৫ ) সুন্দরবন বাংলাদেশের একার সম্পদ নয়। ২০০শত বছর আগে এই বোনের আয়তন ছিল ১৭ হাজার বর্গ কিলোমিটার । আর এখন মাত্র  ১০ হাজার কিলোমিটার, যার ৬০% বাংলাদেশের সীমানায় ও ৪০ % ভারতের  সীমানায় ! সুন্দরবনের ঐ অংশে ভারতের রয়েছে Sundarbans Tiger Reserve বা STR। এরকম Tiger Reserve  ভরতের আরও কিছু অংশে রয়েছে । ২০১৪ বা ১৫ সালের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় সুন্দর বনের ইন্ডিয়ান অংশে এক পরিসংখ্যান চালায় । তাতে বেরিয়ে আসে কিছু অভূতপূর্ব তথ্য !  যেমন,  STR এ রয়েছে ২২।৩৮ মিলিয়ন টন প্রাকৃতিক কার্বনের মওজুদ ! যার  বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ২৪১০ কোটি রূপি !!!! যার থেকে প্রতি বছর 0.৪৩ মিলিয়ন টন কার্বন উত্তোলন সম্ভব। যার মূল্য প্রায় ৪৭ কোটি রুপী। এছাড়া প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে সম্পদের ক্ষয় ক্ষতি রোধে সুন্দরবন যে ভূমিকা অতীতে রেখেছে তার আর্থিক পরিমাণ প্রতি বছর  প্রায় ২৮ কোটি রূপী !!! প্রতি বছর STR থেকে  যে পরিমাণ মস সম্পদ আহরিত হয় তার পরিমাণ প্রায় ১৬০ কোটি টাকা !!! এটি কাঁকড়া ও আহরিত চিংড়ির হিসেব বাদে !!! STR এর standing stock of timber এর পরিমাণ প্রায় ৩২ মিলিয়ন কিউবিক মিটার । যার আর্থিক মূল্য ৬২, ৮৭০ কোটি রূপী !!! এই হিসেব সুন্দরবন থেকে আহরিত আরও অনেক কিছুকে বাদ দিয়েই এই !!!

৬ ) ইআইএ রিপোর্ট অনুসারে ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যু কেন্দ্র থেকে প্রতিদিন প্রায় ১৪২ টন বিষাক্ত সালফার ডাইঅক্সাইড(SO2)    ৮৫ টন বিষাক্ত নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড(NO2) নির্গত হবে। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই এই বিপুল পরিমাণ বিষাক্ত গ্যাস সুন্দরবনের বাতাসে SO2  ও NO2 এর ঘনত্ব বর্তমান ঘনত্বের তুলনায় কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়ে গোটা সুন্দরবন ধ্বংস করবে। কিন্তু রিপোর্টে এর মাত্রা পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৭ নির্ধারিত সীমার মধ্যে দেখানোর জন্য ইআইএ রিপোর্টে একটা জালিয়াতি আশ্রয় নেয়া হয়েছে- পরিবেশগত ‘স্পর্শকাতর’ এলাকার মানদন্ডের বদলে সুন্দরবনের জন্য ‘আবাসিক ও গ্রাম’ এলাকার মানদন্ড বেছে নেয়া হয়েছে! প্রস্তাবিত কয়লা বিদ্যু কেন্দ্রে সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যাবহারে ঢাক ঢোল পেটানো হচ্ছে যদিও ইআইএ রিপোর্ট অনুসারে এই প্রযুক্তি ব্যাবহারের ফলে সাধারণ কয়লা বিদ্যু কেন্দ্রের তুলনায় মাত্র ১০ শতাংশ কার্বন ডাই অক্সাইড কর্ম নির্গত হবে।  এবং ৮০% লোড ফ্যাক্টর ধরে প্রতিবছর কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমণের পরিমাণ হবে ৭৯ লক্ষ টন সুন্দরবনের পরিবেশের উপর যার সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে একটা কথাও বলা হয় নি ইআইএ রিপোর্টে! কেবল আশ্বস্ত করা হয়েছে বাংলাদেশের সার্বিক কার্বন নির্গমণের পরিমাণ এর ফলে নাকি খুব বেশি বাড়বে না!

৭ ) ইআইএ রিপোর্ট অনুসারে কয়লা বিদ্যু কেন্দ্রের ব্যাবহারের জন্য পশুর নদী থেকে প্রতি ঘন্টায় ৯১৫০ ঘনমিটার করে পানি প্রত্যাহার করা হবে।  কয়লা বিদ্যু কেন্দ্রে শীতলিকরণ সহ বিভিন্ন কাজে ব্যাবহারের পর অবশিষ্ট পানি পরিশোধন করে ঘন্টায় ৫১৫০ ঘনমিটার হারে আবার নদীতে ফেরত দেয়া হবে। ফলে নদী থেকে প্রতি ঘন্টায় কার্যকর পানি প্রত্যাহারের পরিমাণ হবে ৪০০০ ঘনমিটার। ইআইএ  রিপোর্টে এভাবে পশুর নদী থেকে ঘন্টায় ৪০০০ মিটার পানি প্রত্যাহারের ফলে পানির লবণাক্ততা, নদীর পলি প্রবাহ, প্লাবন , জোয়ার ভাটা, মাছ সহ নদীর উদ্ভিদ ও প্রাণী জগ ইত্যাদির উপর কেমন প্রভাব পড়বে তার কোন বিশ্লেষণ করা হয়নি এই যুক্তিতে যে ৪০০০ ঘনমিটার পানি পশুর নদীর শুকনো মৌসুমের মোট পানি প্রবাহের ১ শতাংশেরও কম। দুর্ভাবনার বিষয় হলো, প্রত্যাহার করা পানির পরিমাণ ১ শতাংশেরও কম দেখানোর জন্য পানি প্রবাহের যে তথ্য ব্যাবহার করা হয়েছে তা সাম্প্রতিক সময়ের নয়, ৮ বছর আগে, ২০০৫ সালে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ণ বোর্ড কর্তৃক সংগ্রহীত।

৮ ) যতই পরিশোধনের কথা বলা হউক, কয়লা বিদ্যু কেন্দ্র থেকে পানি নির্গমন হলে তাতে বিভিন্ন মাত্রায় দূষণকারী উপাদান থাকবেই যে কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কয়লা বিদ্যু কেন্দ্রের বেলায় ‘শূণ্য নির্গমণ’ বা ‘জিরো ডিসচার্জ’ নীতি অবলম্বন করা হয়। যে এনটিপিস রামপাল কয়লা বিদ্যু কেন্দ্র নির্মাণ করতে যাচ্ছে, সেই এনটিপিসি যখন ভারতে কয়লা বিদ্যু কেন্দ্র নির্মাণ করে তখন ‘জিরো ডিসচার্জ’ নীতি অনুসরণ করে যেমন: ভারতের ছত্তিশগড়ের রায়গড়ের কাছে ১৩২০ মেগাওয়াট কয়লা বিদ্যু কেন্দ্রের ইআইএ রিপোর্টে বলা হয়েছে: “Zero Discharge concepts will be followed”. কয়লা বিদ্যু কেন্দ্রের টারবাইন, জেনারেটর, কম্প্রেসার, পাম্প, কুলিং টাওয়ার, কয়লা উঠানো নামানো, পরিবহন ইত্যাদির কাজে ব্যাবহ্রত যন্ত্রপাতি ও যানবাহন থেকে ভয়াবহ শব্দ দূষণ হয়। সুন্দরবন এলাকায় রামপাল কয়লা বিদ্যু কেন্দ্র পরিচালনার সময় বিদ্যু কেন্দ্র এলাকায় পরিবেশ অধিদপ্তরের বেধে দেয়া মাত্রার(দিনের বেলা ৫০ ডেসিবল, রাতে ৪০ ডেসিবল) চেয়ে বেশি শব্দ তৈরী হবে বলে ইআইএতে স্বীকার করা হলেও বলা হয়েছে  সবুজ বেষ্টনী তৈরীকরার কারণে প্রকল্পের সীমার বাইরে উচ্চ শব্দ যাবে না। সবুজ বেষ্টনি আসলে কতটুকু তৈরী করা হবে বা হলেও সেটা কতটা শব্দদূষণ প্রতিরোধ করতে পারবে সে দিকে যদি নাও যাই,তাহলেও প্রশ্ন থাকে সবুজ বেষ্টনি তো একদিনে তৈরী হবে না। গাছপালা বড় হয়ে পরিপূর্ণ বেষ্টনি তৈরী হতে যে সময় লাগবে সে সময়ে বিদ্যু কেন্দ্র এলাকার উচ্চ শব্দ এবং সেই সাথে সবুজ বেষ্টনির বাইরে কয়লা পরিবহন, ওঠানো নামানো, ড্রেজিং, স্থল ও নদীপথে বাড়তি যান চলাচল ইত্যাদির কারণে যে শব্দ দূষণ হবে তার ফলাফল সুন্দরবন ও আশপাশের পরিবেশের উপর কি হবে! ইআইএ রিপোর্টে বেষ্টনির বাইরের শব্দ দূষণকে অস্বীকার করা হয় নি, যদিও এর পরিবেশগত প্রভাব সম্পর্কে কোন কথা বলা হয়নি।

৯ ) কয়লা বিদ্যু কেন্দ্রে বছরে ৪ ৭ লক্ষ ২০ হাজার টন কয়লা পুড়িয়ে  ৭ লক্ষ ৫০ হাজার টন ফ্লাই অ্যাশ ও ২ লক্ষ টন বটম অ্যাশ উপাদিত হবে। এই ফ্লাই অ্যাশ, বটম অ্যাশ, তরল ঘনীভূতি ছাই বা স্লারি ইত্যাদি ব্যাপক মাত্রায় পরিবেশ দূষণ করে কারণ এতে বিভিন্ন ভারী ধাতু যেমন আর্সেনিক, পারদ, সীসা, নিকেল, ভ্যানাডিয়াম, বেরিলিয়াম, ব্যারিয়াম, ক্যাডমিয়াম, ক্রোমিয়াম, সেলেনিয়াম, রেডিয়াম মিশে থাকে।

কিন্তু আরো ভয়ংকর ব্যাপার হলো , একদিকে বলা হয়েছে এই বিষাক্ত ছাই পরিবেশে নির্গত হলে ব্যাপক দূষণ হবে অন্যদিকে এই ছাই দিয়েই প্রকল্পের মোট ১৮৩৪ একর জমির মধ্যে ১৪১৪ একর জমি ভরাট করার পরিকল্পনা করা হয়েছে! এই বর্জ্য ছাই এর বিষাক্ত ভারী ধাতু নিশ্চিত ভাবেই বৃষ্টির পানি সাথে মিশে, চুইয়ে প্রকল্প এলাকার মাটি ও  মাটির নীচের পানির স্তর দূষিত করবে যার প্রভাব শুধু প্রকল্প এলাকাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না।উপাদিত বর্জ্য ছাই সিমন্টে কারখানা, ইট তৈরী ইত্যাদি বিভিন্ন শিল্পে ব্যাবহারের সম্ভাবনার কথা ইআইএ রিপোর্টে বলা হলেও আসলে কোন কারখানায় এর আদৌ কোন ব্যাবাহর হবে এরকম কোন নিশ্চিত পরিকল্পনা করা হয়নি । বড় পুকুরিয়ার মাত্র ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যু কেন্দ্র থেকেই উপাদি ছাই এরই উপযুক্ত ব্যাবহার বাংলাদেশে হচ্ছে না। বড়পুকুরিয়া বিদ্যু কেন্দ্র থেকে উপাদিত দৈনিক৩০০ মেট্রিকটন বর্জ্য ছাই কোন সিমেন্ট কারখানায় ব্যাবহারের বদলে ছাই এর পুকুর বা অ্যাশ পন্ডে গাদা করে রেখে পরিবেশ বিপর্যয় ঘটানো হচ্ছে।

১০) কয়লা বিদ্যু কেন্দ্র থেকে নির্গত সালফার, নাইট্রোজেন, কার্বন ইত্যাদির বিভিন্ন যৌগ কিংবা পারদ, সীসা, ক্যাডমিয়াম, ব্যারিয়াম ইত্যাদি ভারী ধাতুর দূষণ ছাড়াও কুলিং টাওয়ারে ব্যাকটেরিয়া সংক্রামণের কারণেও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক আকারে নিউমোনিয়া জাতীয় রোগ ছড়িয়ে পড়ে।

তথ্য সূত্র:

#Kallol Mustafa 

#দ্যা রামপাল ইফেক্ট 

# Final Report on Environmental Impact Assessment of 2x (500-660) MW Coal Based Thermal Power Plant  to be Constructed at the Location of Khulna

# Environmental Impact Assessment for The Proposed 1320 MW Super Critical Coal based Thermal Power Plant at Kukurda In Raigarh Thesil and District in Chhattisgarh State

# রামপাল ইআইএ,  Impacts: pre-construction and construction stages , পৃষ্ঠা ২৬৩২৬৮)

# NTPC’s coal-based project in MP turned down

আপনার মন্তব্য