রামপাল আন্দোলন এখন কি একটা কনফিউশন ?

5894
SHARE

স্যোশাল মিডিয়াতে অনেক কাদা ছুড়াছুড়ির পর এখন রামপাল নিয়ে “অনলাইন” আন্দোলন অনেকটা ঠান্ডা। মানুষ সম্ভবত ক্লান্ত – পক্ষে বা বিপক্ষে যারাই থাকুক না কেন। অন্তত এখনকার ট্রেন্ড দেখে তাই মনে হচ্ছে। আসলে মানুষ আর কত নিতে পারে? আমরাও এক একজন এক একটা পিস। যে গতিতে শুরু করি তার চাইতে ৩ গুন গতিতে নেমে আসি – যে ইস্যু হবে হোক।

এখন অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে রামপাল আন্দোলন একটা কনফিউশনে পরিণত হয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পক্ষে যেরকম লজিক, বিপক্ষেও লজিক। কেউ কারও চাইতে কম না। এই ব্যাপারে জানি আর না জানি, অংশগ্রহন তো অবশ্যই করতে হবে – এরকম একটা মনোভাব। যে কারনে কেউ একটা কাউন্টার দিলে অপরজন তার জবাব দিতে দ্বিধাবোধ করেন। গত কদিনে আমরা দেখলাম সবাই কেমিস্ট, সংবধান বিশেষজ্ঞ, সুশীল সমাজ সবকিছুই হয়েছেন। মুখে ফেনা তুলেছেন। তুলোধুলো করেছেন এক পক্ষ আরেক পক্ষকে। আমরাও অবশ্য কম যাইনি। তবে চেষ্টা করেছি বিভিন্ন ফ্যাক্টসগুলো তুলে আনতে। কিন্তু সত্যি কথা বলতে মানুষের তেমন কোন পার্টিসিপেশন ছিল না। মূলত আমরাও অনেকটা কনফিউজড সবার মত।

আসলে রামপালের ইস্যু নিয়ে খুব বিস্তারিত তথ্য কোথাও নেই। থাকলেও সেটা যথেষ্ট না। মানুষও জেনে না জেনে অনেক কিছুই বলছে। তাই কাউন্টার লজিক দিতে গেলে আটকে যেতে হয়। এটা অকপটে শিকার করা যায়। আর ফেসবুকে এক এক “বিশেষজ্ঞ” এক এক মতামত দেন। একজনের সাথে আরেকজনের মতের বা তথ্যের কোন মিল নেই। টিভি মিডিয়াগুলো কেমন জানি।এক চ্যানেল পক্ষে বলে আবার আরেক চ্যানেল বিপক্ষে। আবার কোন কোন চ্যানেল পক্ষে বিপক্ষে দুদিকেই বলে। যারা বিদ্যুৎকেন্দ্রের পক্ষে আছেন তারা নিজেদের দেশের উন্নতির পক্ষে বলছেন আবার যারা বিপক্ষে তারা দেস বাচানোর পক্ষে বলছেন। একটা সুনির্দিষ্ট ক্ল্যারিফিকেশন কোথাই নেই। অবশ্যই ফেসবুক বা নানা ধরনের সাইট সঠিক তথ্য পাওয়ার যায়গা না। এখানকার ৯০% তথ্যই ভুয়া – এটা আমরা সবাই জানি।

আসলে এই দ্বন্দ্বটা কি বিশ্বাসের বা ভরসার? আমরা কি কারো উপরে আস্থা রাখতে পারছি না? অদ্ভুত দোটানায় পড়ে গেছে বাংলাদেশের জনগন। আবার এখানে আওয়ামীলীগ – বিএনপি ভাগ হয়েছে এই ইস্যুতে – যেটা হবারই কথা। আমাদের ইনবক্সে অনেকেই মেইল করেছেন নানা ধরনের লজিক – কোনটা পক্ষে আবার কোনটা বিপক্ষে। সবাই দাবি করছেন তাদের তথ্যটা সঠিক, বাকীদেরট

আপনার মন্তব্য