জঙ্গী হোক আর জংলী – গন্তব্য একটাই | সাবধান !

8345
SHARE

গুলশান হামলার শোক এখনও কাটিয়ে উঠতে না পারলেও সেই শোক এখন প্রতিটি সত্যিকারের বাংলাদেশীদের জন্য এক অন্যরকম শক্তি হয়ে দাড়িয়েছে। ঘটনার একমাস পরেই জঙ্গীদের ব্যাপারে মানুষের মনোভাব এবং বাংলাদেশের মানুষের মনোবল অন্যরকম। ভীতি বা ত্রাস সৃষ্টি করার জন্য তথাকথিত আইএস বাহিনীর কাপুরুষরা যারা নিজেদের “যোদ্ধা” বলে, তাদের নানা হুমকি-ধামকি আর নাশকতা বাংলাদেশীদের মনে কোন ভয়ের সঞ্ছার তো করতে পারে নাই উল্টো পুরো বাংলাদেশকে ক্ষেপিয়ে দিয়েছে। সবার মনেই এখন একই প্রত্যয় – জঙ্গী নিধন-দমন তা যেকোন মূল্যে। এসব ব্রেইনওয়াশড তথাকথিত আইএস সন্ত্রাসীরা যত চেষ্টাই করুন বাংলাদেশীদের ভয় লাগাতে পারবে না। কারন কাপুরুষের মত যারা নিরীহ মানুষকে মারে তাদের মুখে বাঙ্গালী থু থু মারে, তাদের ভয় পায় না।

অন্যান্য দেশে আইএস এর হামলায় সেসব দেশের জনগন যথেষ্ট প্যানিকড হলেও আমাদের দেশের চিত্রটা ভিন্ন। এখানকার মানুষ খেটে খাওয়া মানুষ। প্রতিনিয়ত জীবনের সাথে যুদ্ধ করছে তারা। কখনও পেটের সাথে, কখনও বসের সাথে, কখনও প্রশাসনের সাথে, কখনও সরকারের সাথে বাআর কখনও শত্রুর সাথে। এধরনের মানুষদের সহজে কেউ দমাতে পারে না, পারেনা ভয় দেখাতে। অতীতে অনেক বড় বড় ঘটনা এদেশে ঘটেছে কিন্তু দেশের মানুষকে টলাতে পারেনি, পারেবেও না কোনদিন। বাংলাদেশের মানুষ জানে, এসব আইএস সন্ত্রাসীদের জায়গা কোথায়। এসব সন্ত্রসী বাংলাদেশী হয়েও দেশের বিরুদ্ধে জঙ্গীবাদে লেগেছে তাদের জন্য বাংলাদেশের মানুষের কোন সিমপ্যাথি বা দয়া নেই আর হবেও না কোনদিন। বাংলাদেশের মানুষ না তাদের মতদর্শকে সম্মান করবে না তাদের “সুইসাইড হামলা” নামক কাপুরুষতাকে। আমরা বুক চিতিয়ে যুদ্ধ করতে জানি। শুধু মুখের ভাষা কেড়ে নেয়ার জন্য এদেশের মানুষ প্রান দিয়েছে। তার এসব জঙ্গী, ধর্মের নাম করে আমাদের ক্ষতি করবে আর আমরা চুপ করে থাকব? জীবনেও সেই স্বপ্ন তাদের পূরন হবে না।

বাংলাদেশে লুকিয়ে থাকা প্রতিটি জঙ্গী এখন ভয়ে আছে কারন তারাও জানে এই বাংলাদেশীরা ঠিক কোন ধাতুতে গড়া আর বাংলাদেশীদের সাহস কেমন। যেকোন মুহুর্তে বাংলার মানুষ তাদের উপর চড়াও হবে। ব্রেইনওয়াশ আর ইমেজওয়াশ – কোন কিছুর ধার ধারে না বাঙ্গালী। জবাব একটাই। জঙ্গীরা কি মনে করেছিল? নিরীহ নিরস্ত্র মানুষ হত্যা করে তাদের বাহাদুরীর কথা দুনিয়া জুড়ে বলবে? তাদের সেই কথিত “বাহাদুরীতে” বাঙ্গলী ইতিমধ্যে থুথু ছিটিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশীরা জঙ্গীদের মত কাপুরুষ না। যেসব জঙ্গী মরেছে তাদের লাশ পর্যন্ত তাদের পরিবার গ্রহন করছে না। নিজের বাবা-মাও থুথু ছিটাচ্ছে তাদের বিকৃত লাশে। তাদের জন্য করুনাও নেই কারও মনে। আর থাকবেও না। এদেশে জঙ্গীবাদ কোনদিন কিছু করতে পারবে না। এদেশের মানুষ হতে দিবে না। এক একটা জঙ্গি বাংলার মানুষের হাতে পড়া মাত্র ছেচিয়ে সোজা করে দিবে। হয় লাশ হয়ে যাবে মর্গে না হয় …… আর কোন অপশন তো দেখি না।

আর যারা ধর্মের দোহাই দিয়ে দেশের ১২ টা বাজাচ্ছে, যারা এসবের মাস্টারমাইন্ড, তাদের আরো খারাপ সময় আসছে সামনে। কারন তাদের মত কাপুরুষদের জন্য আমাদের দেশের রাস্তার কুকুররাই যথেষ্ট।

আগেই বলেছিলাম, বাংলাদেশীদের ক্ষেপাতে নেই। যদি ক্ষেপানো হয়, তাহলে সেসব কাপুরূষদের বিনা টিকিটে দোযখ দেখিয়ে আনবে বাঙ্গালী। Don’t Underestimate Bangladeshis. তোরা জঙ্গীহ আর জংলী, তোদের শেষ পরিণতি একটাই – বেওয়ারিশ লাশ হয়ে কোন মর্গে পরে থাকা। জান্নাত না, জাহান্নামের ফ্রি টিকিট দেয়া হবে বাংলাদেশ থেকে। বাংলাদেশের মানুষ এসব জংগীদের শেকড় সহ উপড়ে ফেলবে – সাধারন মানুষ। সেটাই হবে এবং সেটাই হতে যাচ্ছে। পারলে ঠেকাও।

আপনার মন্তব্য