ইসরাইলকে সন্ত্রাসী রাষ্ট্র বলা হবেনা কেন?

83
SHARE

ইসরাইল রাষ্ট্রটির জন্ম ইতিহাস একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। বর্তমান বিশ্বে ইসরাইলকে রাষ্ট্র হিসেবে অনেকেই স্বীকার না করলেও অন্তত হিন্স্রতা ও দখল দারী মনোভাব এর কারনে নব্য সন্ত্রাসী দেশ হিসেবে বেশ পরিচিতি আছে।  ১৯৪৯ সালে ইসরায়েল, লেবানন, জর্ডান ও সিরিয়ার মধ্যে চুক্তি চু্ক্তি অনুযায়ী দেশটির আয়তন নির্ধারিত হয় ২০,৭৭০ বর্গ কিলোমিটার৷ কিন্তু তা থেকে বেড়ে বর্তমানে ইসরাইলের আয়তন হয় ২৭,৭৯৯ বর্গ কিলোমিটার। সে যাই হউক এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে খুব অল্প সময়ে যা ভূমধ্য সাগরের পূর্ব উপকূলে অবস্থিত। ইসরাইলের রাজধানীর নাম জেরুজালেম এবং রাষ্ট্রটির সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী ইহুদী ধর্মাবলম্বী। বিশ্বের অধিকাংশ মুসলিম রাষ্ট্রই ইসরাইলকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না। বলা হয় মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশ গুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার কৌশল হিসেবে ইসরাইল রাষ্ট্রের উদ্ভব ঘটানো হয়েছে। তাই গোটা মধ্যপ্রাচ্যের মাঝখানেই ইসরাইল এখন একটি জ্বলন্ত সমস্যা। ইসরাইলের রাষ্ট্রভাষা দু’টি, আধুনিক হিব্রু ভাষা এবং আরবি৷ হিব্রু ভাষার কথা মোটামুটি সবাই শুনেছি,  কিন্তু ‘আধুনিক হিব্রু’ বলতে বোঝানো হচ্ছে এই ভাষায় ইংরেজি, স্লাভিচ, আরবি এবং জার্মানসহ অনেকগুলো বিদেশি ভাষার মিশ্রণ রয়েছে। আর এই ভাষাটি গত ১৯ শতকের শেষভাগ পর্যন্তও বিকশিত হয়েছে।

পৃথিবীতে ইসরাইল একমাত্র দেশ যেখানে প্রাপ্ত বয়স্ক সব নাগরিকের জন্য সেনা প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক৷ সুতরাং বলা যায় দেশটির যতজন প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক আছে ঠিক একই পরিমাণ সেনাসদস্যও৷ এই দেশে সেনাপ্রশিক্ষণ স্বল্পমেয়াদি হয় না৷ প্রাপ্ত বয়স্ক ছেলেদের ৩ বছর এবং মেয়েদের কমপক্ষে ২ বছরের প্রশিক্ষণ নেয়া বাধ্যতামূলক। ইসরাইলের রাজধানী জেরুজালেমে এ পর্যন্ত ২৩ বার ভয়াবহ আগুন ভস্মীভূত হয় আর বহিঃশক্তির আক্রমণের শিকার হয়েছে ৫২ বার৷ জেরুজালেম দখল এবং পুনরুদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে ৪৪ বারের মত।

১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে মুসলমান শাসকদের অদূরদর্শিতা এবং ব্রিটিশদের আগ্রাসনের ফলে তুরস্কে প্রতিষ্ঠিত মুসলিম খিলাফত ভেঙ্গে যায়। সেই সুযোগে পরবর্তীতে ব্রিটিশরা ১৯১৭ সালে ইরাক, ফিলিস্তিন ও পবিত্র জেরুজালেম দখল করে নেয়। ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুর্কি অটোমান সাম্রাজ্যের পতনের পর প্যালেস্টাইন বা ফিলিস্তিন সহ বেশিরভাগ আরব এলাকা চলে যায় ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের দখলে। ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর তৎকালীন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার জেমস বালফোর পত্রের মাধ্যমে ইহুদিবাদিদের ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে একটি ইহুদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেন। স্বাভাবিকভাবেই ব্রিটিশরা চায়নি ইহুদীরা ইউরোপে বসবাস করুক এর প্রধান কারন অবিশ্বাস। যখন থেকেই ইহুদীদের জন্য আলাদা একটি রাষ্ট্রের চিন্তা শুরু তখন পৃথিবীর কোন দেশই চায়নি তাদের ভূখণ্ডে ইহুদীরা বাস করুক। শেষ পর্যন্ত বেলফোর ঘোষণা অনুযায়ী ফিলিস্তিন এলাকায় ইহুদিদের জন্য একটি আলাদা রাষ্ট্র গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আর যখনি ইহুদীদের আলাদা রাষ্ট্রের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয় তখন বিপুল সংখ্যক ইহুদি ইউরোপ থেকে দলে দলে এসে ফিলিস্তিনে বসতি স্থাপন করতে শুরু করে। শক্তির অপর্যাপ্ততায়  প্রথম দিকে মধ্যপ্রাচ্যের মুসলমান রাষ্ট্রসমূহ ফিলিস্তিনে ইহুদীদের আগমন ঠেকাতে ব্যর্থ হয়।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশদের সহযোগিতায় ফিলিস্তিনে ইহুদীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে দাড়ায় ২০ হাজার যেখানে পূর্বে এই সংখ্যা ছিল মাত্র কয়েক হাজার। পরবর্তীতে বেশ জোরে সোরে শুরুহয় বিশ্ব ইহুদীদের একত্রিত করার কাজ। ফলশ্রুতিতে ১৯১৯ থেকে ১৯২৩ সাল পর্যন্ত ফিলিস্তিনে ইহুদীদের সংখ্যা ৩৫ হাজারে উন্নীত হয়। ধীরে ধীরে ইসরাইল ইহুদীদের জন্য একটি নিরাপদ ও স্বাধীন এলাকা হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়, ১৯৩১ সালে ইহুদীদের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে ১ লাখ ৮০ হাজারে পৌঁছায় এবং ১৯৪৮ সালে সেই সংখ্যা প্রায় ৬ লাখে উন্নীত হয়। ইসরাইলের বর্তমান জনসংখ্যা ৭৪ লক্ষ ৬৫ হাজার।

১৯১৮ সালে ইসরাইল “হাগানাহ” নামক তাদের গুপ্ত ইহুদী বাহিনী  গঠন করে যার পরোক্ষ সহযোগিতা ছিল ব্রিটেনের। এ বাহিনীর প্রধান কাজ ছিল ইহুদীবাদীদের জন্য অবৈধ রাষ্ট্র তৈরির ক্ষেত্র তৈরি করা আর এই জন্য তারা তৎকালীন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। হাগানাহ বাহিনী শুরুতে ফিলিস্তিনী জনগণের বিরুদ্ধে ইহুদীবাদীদের সহায়তা করে পরবর্তীতে দেখা গেল তারা একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী বাহিনীতেই পরিণত হয়েছে। যাদের প্রধান কাজ হয়ে দাড়ায় ফিলিস্তিনী জনগণের সম্পদ, বাড়িঘর ও ক্ষেতখামার দখল করা এবং তাদেরকে ফিলিস্তিন থেকে বিতাড়িত করা। তাই তারা বাজার ও রাস্তাঘাটসহ গুরুত্বপূর্ণ জনসমাবেশ স্থলে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ফিলিস্তিনীদের মধ্যে আতঙ্ক ও ভীতি সঞ্চার করত। মূলত ফিলিস্তিন ভূখণ্ডটি মুসলমানদের একটি স্বাধীন ও একচ্ছত্র এলাকা হলেও ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ফিলিস্তিনী ভূখণ্ডকে দ্বিখণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে ১৮১ নম্বর প্রস্তাব গৃহীত হয়। সমগ্র মুসলিম বিশ্বের বিরোধিতা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেনের প্রচ্ছন্ন সমর্থনে ফিলিস্তিনকে দ্বিখণ্ডিত করার প্রস্তাব পাশ করে জাতিসংঘ।

এই প্রস্তাব অনুযায়ী জাতিসংঘ ফিলিস্তিনী ভূখণ্ডের মাত্র ৪৫শতাংশ প্রদান করে মুসলমানদের এবং বাকি ৫৫ শতাংশ ভূমি ইহুদীবাদীদের দিয়ে দেয়। আর এভাবেই ফিলিস্তিনের ভূমিকে জোর পূর্বক বেদখলকরে গঠন করা হয় নব্য ইহুদী রাষ্ট্র ইসরাইল। আরব লিগের প্রত্যাখ্যানের মুখে দখল ভূমিতে ১৯৪৮ সালের ১৪ মে ইসরায়েলকে জাতিসংঘ ব্রিটেন থেকে স্বাধীনতা প্রদান করে। ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্রটি ছিল মিশর।

ইসরাইল স্বাধীনতা পরবর্তী যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের সাহায্যে অস্ত্র-শস্ত্র ও শক্তিতে পরাক্রমশালী হয়ে উঠে। তাদের আগ্রাসী মনোভাব ফিলিস্তিনের বাকি ভূমিগুলোকেও দখলের পায়তারা শুরু করে। ইসরাইল বিনা উস্কানিতেই এবং বিনা অপরাধে ফিলিস্তিনের নিরীহ মানুষদের উপর হত্যাযজ্ঞ চালানো শুরু করে। আর এই ধারাবাহিকতা রক্ষায় প্রতিষ্ঠিত হয় ইসরায়েলের প্রধান রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ। ইসরাইলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড বেন গুরিয়ান মোসাদ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৪৯ সালের ১৩ ডিসেম্বর Central Institute of Coordination নামে মোসাদের কর্যক্রম শুরু হয়। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে এটি প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৫১ সালের মার্চে। প্রতিষ্ঠার পর থকেই মোসাদকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন রাখা হয়। মোসাদের হেডকোয়ার্টার তেলআবিবে। ধারনা করা হয় পৃথিবীর এমন কোন যায়গা নেই যেখানে মোসাদ অপারেশন চালাতে পারেনা। গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, গোপন কার্যক্রম চালানো, আধাসামরিক অভিযান পরিচালনা করা তদপুরি ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষায় যেকোনো কিছু করাই এর প্রধান কাজ।মোসাদের কাজের রিপোর্ট ও গোয়েন্দা তথ্য সরাসরি ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীকে দিতে হয়। এর কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংখ্যা ক্লাসিফাইড। অবশ্য ১৯৮০ সালের শেষ দিকে এ সংখ্যা ২ হাজারের মত ছিল বলে ধারণা পাওয়া যায়। ইসরাইলের নিরাপত্তা প্রশ্নে বিভিন্ন প্রচেষ্টা ও কর্মকাণ্ড মোসাদকে গোয়েন্দাবৃত্তিতে সর্বোচ্চ মান দিয়েছে। দুর্ধর্ষ এই গোয়েন্দা সংস্থার মূল লক্ষ্য হচ্ছে ফিলিস্তিনি মুক্তি আন্দোলন প্রতিহত করা ও আরব বিশ্বসহ মুসলমানদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা। ইসরাইল প্রসঙ্গে বিতর্কিত বা রাজনৈতিক প্রশ্ন নিয়ে দীর্ঘস্থায়ী বাদানুবাদ তৈরি হলে এ সংস্থা তার কর্মীদের ওই ব্যক্তি বা সংশ্লিষ্ট কাউকে অপহরণ বা হত্যা পর্যন্ত করত।

১৯৬৪ সালে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা আন্দোলনের সক্রিয় সংগঠন PLO প্রতিষ্ঠার পর থেকে ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছে ফিলিস্তিনিরা। ধারণা করা হয় ইয়াসির আরাফাতের মৃত্যুর সাথে মোসাদের সংযোগ আছে। মোসাদ ফিলিস্তিনের পি এল ও সদস্যদের উৎখাতে ভুমিকা পালন করেছিল যখন ১৯৭২ সালের জার্মানীর মিউনিখ অলিম্পিকে এগারো জন ইসরায়েলি এথলেট কে হত্যা করা হয়েছিল। এর জন্য ব্লাক সেপ্টেম্বর নামের সংগঠন ও পিএলও কে অভিযুক্ত করে তাদের নেতাদের হত্যা করা হয়। তখন প্রতিশোধ হিসেবে পিএলও’র হেডকোয়ার্টারও ফাইটার আক্রমণে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। এই অপারেশনের নাম ছিল রেথ অফ গড। পিএলও এর নেতাদের কাছে কোরআন শরীফ পাঠানো হয় যার ভেতর সেট করা ছিল বোমা। একইভাবে ১৯৭২ সালে মোসাদ জার্মানির বিভিন্ন টার্গেট ব্যক্তির কাছে লেটারবোমা পাঠিয়েছিল। চিঠি খুললেই বোমা বিস্ফোরিত হত। এভাবে ১৯৭৮ সালের দিকে হত্যা করা হয় পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অব প্যালেস্টাইন এর আধ্যাত্মিক নেতা ওয়াদি সাদাদকে, ১৯৭৯ সালে হত্যা করা হয় পিএলও’র আসসাদিকা নেতা জুহাইর মুহসিনকে, ১৯৮৮সালে হত্যা করা হয় ফাতাহ নেতা আবু জিহাদকে,১৯৯৫ সালে হত্যা করা হয় ফিলিস্তিনের ইসলামিক জিহাদ নেতা ফাতি শিকাকিকে। ১৯৯৭ সালে আম্মানে হামাসের এক সহযোগী সংগঠনের মিছিলে হামাস নেতা খালেদ মাশালকে বিষক্রিয়ার মাধ্যমে হত্যা করতে এজেন্ট পাঠিয়েছিল মোসাদ। ২০০৪ সালে হেলিকপ্টার থেকে গোলা নিক্ষেপ করে হামাস নেতা শেখ আহমেদ ইয়াসিনকে হত্যা করে। তিনি ফিলিস্তিনে ইসলামের মূল ধারার নেতৃত্ব দিতেন। একই বছর গাড়িবোমায় হত্যা করা হয় হামাসের অপর নেতা ইয ইল-দীন শেখ খলিলকে। ২০০৬ সালে লেটারবোমা পাঠানো হয় দ্য পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অব প্যালেস্টাইন নেতা বাসাম আবু শরীফকে। তিনি পিএলও’র প্রেস অফিসার ছিলেন। অবশ্য ১৯৭২ সালে মোসাদের লেটার বোমায় তিনি চারটি আঙ্গুল ও একটি চোখ হারিয়েছিলেন।হত্যাযজ্ঞের এমন অনেক কুখ্যাতি আছে ইসরাইল নামক এই রাষ্ট্রটির বিরুদ্ধে। তাদের প্রধান গোয়েন্দা শাখা মোসাদের অধিকাংশ কর্মকর্তাই ইসরাইল ডিফেন্স ফোর্স থেকে এলেও কার্যত এটি কোন সামরিক সার্ভিস নয় এবং এখানে মিলিটারি র‌্যাংঙ্কিং ও প্রয়োগ করা হয় না। এছাড়াও আমান ও শাবাক নামে ইসরায়েলের আরো দুটি গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা ইউনিট আছে যারা ইসরাইলের অভ্যন্তরে এবং দখলকৃত ভূখণ্ডে গোয়েন্দা তৎপরতা চালানোর জন্য নিয়োজিত। এ দুইটি ইউনিটেরই কাজ প্রায় মোসাদের মতই যারা সরাসরি ইসরাইলের হত্যা মিশন গুলি পরিচালিত করে।

টার্গেট দেশ থেকে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ,  সন্ত্রাস দমন ও অপারেশন পরিচালনা মোসাদের প্রধান কাজ হলেও এসবের আড়ালে তারা সন্ত্রাসবাদকেই পরিচালনা করছে। মুসলিম বিশ্বকে অশান্ত করতে তারা সদা তৎপর, বিভিন্ন গবেষণা ও আলামতের ভিত্তিতে ধারণা করা হয়যে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএসএর উত্থানের পেছনে মোসাদের হাত রয়েছে এমনকি সংগঠনটির নেতৃত্বকারী কমান্ডারও নাকি মোসাদের নিয়োগ করা। ইসরাইলের জন্মলগ্ন থেকে বর্তমান অব্দি তাদের পরিচালিত কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণে বুঝা যায় তারা কতটা সভ্য জাতি!

আপনার মন্তব্য