জঙ্গী ষড়যন্ত্র কি মুসলিম ধ্বংসের হাতিয়ার?

56
SHARE

এমন কেউ কি আছেন যারা ইদানীংকালে নানা দেশে সন্ত্রাসী হামলার কথা শুনেননি? উত্তরটা সম্ভবত আপনারাই ভাল দিতে পারবেন। সম্ভব এমন দেশও অনেক কম আছে যেখানে তথাকথিত মুসলমান সন্রতাসীরা আক্রমন করেনি। এমন সপ্তাহও কম গেছে যে সপ্তাহে সন্ত্রাসী হামলা হয়নি। আজ এখানে তো কাল ওখানে। আমাদের দেশেও ইদানীং শুরু হয়েছে।

৯/১১ এর টুইন টাওয়ার হামলার পর থেকে টেররিজম, জংগী, সন্ত্রাসী হামলা – এই শব্দগুলো যেন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটা অংশ হয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক মিডিয়াগুলোর ব্রেকিং নিউজফিড সন্ত্রাসী হামলা ছাড়া আর তেমন কিছু পাওয়া যায় না। সন্ত্রাসী হামলার মিডিয়া কাভারেজও অনেক বিশাল থাকে। আর জংগী, সন্ত্রাসী এসব শব্দের সাথে একটা জাতিকে কিভাবে জানি ওতোপ্রতোভাবে জড়িয়ে ফেলা হয়েছে । হ্যাঁ, মুসলমানদের কথাই বলছি। আর সব কিছুর প্লট এমন ভাবে করা যেন দেখলেই মনে হয়, সন্ত্রাসী মানেই মুসলিম, মুসলিম মানেই সন্ত্রাসী। এয়ারপোর্ট, ইমিগ্রেশন, শপিং সেন্টার, অফিস – সব জায়গায় মুসলমানদের চেক করার জন্য আলাদা সিকুরিটি সিস্টেম। নামের আগে মোহাম্মদ দেখলেই ইমিগ্রেশন ওয়ালারা ভুরু কুচকে ফেলেন। মাঝে মধ্যে সেই বান্দাকে বসিয়ে রেখে ঘন্টার পর ঘণ্টা ব্যাকগ্রাউন্ড চেক চলে। বিমান থেকে কারনে-অকারনে মুসলমান যাত্রীদের নামিয়ে দেয়া হয়, অনেক সময় বিমানে উঠতেই দেয়া হয় না। কি অপমান প্রতিটি পদে পদে! মানবাধিকারের কি বাস্তবতা প্রতিটি মুহুর্তে!

মরছে আবার মুসলমারাই – পাইকারি হারে। আবার মারতে সাহায্যও করছে মুসলমানরাই। সবসময় একটা না একটা সন্ত্রসী গোষ্ঠী কিভাবে যেন, কাদের যেন ছত্রছায়ায় বের হয়ে আসে। ৯/১১ এর পর ছিল আল-কায়েদা, যার নেতা ওসামা-বিন-লাদেন ছিল এক কালের আমেরিকার বন্ধু, সি আই এ এ দ্বারা ট্রেইংপ্রাপ্ত। আর এখন এসেছে আইএস – ইসলামিক স্টেট। তাদের নেতাও সিআএইএ থেকে ট্রেইং প্রাপ্ত। তাদের অস্ত্রসস্ত্র সবই আমেরিকান। আর আমেরিকার অস্ত্র বিক্রির কথাটি ফাঁস হয়েছে সম্প্রতি উইলিকসেও। আইএস তো তাদেরই সৃষ্টি। এটা নিশ্চিত, আইএস কদিন পরে ধ্বংস হয়ে গেলে তখন হয়তো নতুন আরেক গ্রুপ চলে আসবে। এভাবেই চলছে।

পৃথিবী জুড়ে কিছু একটা চলছে, বড় অদ্ভুত আর গোপন ! একটা  crisis  দিন দিন develop করছে ।  ধীরেধীরে সেটা বহুমাত্রিক রুপ নিচ্ছে । মানুষ নানান দল উপদলে ভাগ হয়ে যাচ্ছে।  এভাবে চলতে থাকলে একটা সময় আসবে যখন মানুষ সব বুঝেও আর এক হতে পারবেনা।  কারণ  তারা

তখন  বিভিন্ন কারণে শত ভাগে শত দলে বিভক্ত। একে অন্যকে দোষারোপ করবে।হানাহানী করবে ।  কারা যেন সেটাই চাইছে………… কারা ?!?! ………… Let’s Dig !!!

এখন অনেক ধরনের সমস্যা আমাদের চারপাশে। সব সমস্যার কারণ এক কথায় বোঝানো সম্ভব নয়। কারণ একটা সমস্যা আরও ১০ টা সমস্যার জন্ম দিচ্ছে, পরিস্থিতি জটিল হয়ে যাচ্ছে। আমরা যদি সব কিছুর দিকে না তাকিয়ে ধীরে ধীরে মূল সমস্যার দিকে যাই তাহলে অনেক কিছু পরিষ্কার হয়ে যাবে !

এই মুহুর্তে আমাদের দেশে সবার মাথায় একটা সমস্যা ঘুরছে, সেটা হল- “ জঙ্গী ” সমস্যা। আইসিস, জেএমবি, হিজবুত তাহরীর, জামাত-শিবির ইত্যাদি । এর কারণ, “ইসলাম” !  জঙ্গীদের বক্তব্য আমাদের দেশ সহ সারা পৃথিবীতে ইসলাম আজ বিপন্ন। তাই তারা ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন দিবে, জীবন নিবে ! ইসলাম কি  তবে  প্রতিষ্ঠিত নয় ?!

প্রথমেই আসি বাংলাদেশে; বাংলাদেশে কি ইসলাম বিপন্ন ?!!! নাকি ইসলামকে বিপন্ন করে তোলা হচ্ছে ?! গত কিছু বছরে অনলাইনে ইসলাম নিয়ে যেই পরিমান নাটক হল তা কারা করল ? সবাই বলবে  Blogger রা ! তাই বলে কি সব  Blogger  রা ? না; গুটিকয়েক  Blogger । এখন প্রশ্ন হল – কেন ? কি তাদের  benefit ?!?!?!  মন গড়া অনেক উত্তর আমরা দিতে পারি, কিন্তু সত্যটাকে  Proof করা কঠিন হবে। তবে সেসব উস্কানীমূলক ছিল নিঃসন্দেহে।

এবার চলুন, জঙ্গীদের বক্তব্য অনুযায়ী দেখি সারা পৃথিবীতে ইসলামের কি অবস্থা ! গত কয়েক বছরে আরব দেশ গুলোর কি হাল হয়েছে সবই আমরা জানি। যুদ্ধ চলছে সিরিয়ায়, ইরাকে, আফগানিস্তানে, ইয়েমেনে । ধ্বংস হয়ে গেছে লেবানন, মিশর, আফগানিস্তান সহ বহু আরব দেশ। অবরোধ, নিষেধাজ্ঞার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে ইরান।  আর প্যালেস্টাইন সমস্যা তো রয়েছেই !!! অন্য দেশগুলোও খুব একটা ভালো নেই !

তাহলে কি জঙ্গিরাই ঠিক …?!?!?!

ধরে নিলাম জঙ্গিরাই ঠিক !!! তাহলে, এর প্রতিকার প্রয়োজন ! যারা মুসলিম দেশ গুলোতে যুদ্ধে লিপ্ত তাদের প্রতিরোধ করতে হবে !

এবার কথা বলা যাক মুসলিম দেশগুলোর চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে। কাদেরকে প্রতিরোধ করতে হবে, কারা সেখানে যুদ্ধে লিপ্ত ?!?!?!

সিরিয়ায় যুদ্ধ করছে সিরিয়ান আর্মড ফোর্স, ফ্রী সিরিয়ান আর্মি + আল কায়েদা , সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্স এবং ISIS  …… আর এ বড় দল গুলোর সাথে জড়িত আরো বহু দল উপদল !

ইরাকে যুক্তরাষ্ট্র ও তার সহযোগী দেশগুলোর সাদ্দাম উৎখাত  যুদ্ধ শেষ হয়েছে !!!  এখন যুদ্ধ করছে ইরাকী শীয়া, সুন্নী,ও কূর্দী বিভিন্ন দল উপদল। সাথে আছে আল-কায়েদা, আনসার আল ইসলাম ও  latest ISIS  এর মত  জঙ্গি দল গুলো।

ইয়েমেনে সরকারী সৈন্য, হূথী বিদ্রোহী দল, আরব আল কায়েদা ও নতুন ISIS  এর মাঝে চলছে যুদ্ধ ।

টার্কিতে (তুরস্ক) চলছে সরকারি  সইন্যদের সাথে কূর্দি বিদ্রোহীদের যুদ্ধ, যার সাথে নতুন সংযোজন  ISIS…।

যে কয়টি দলের নাম উঠে এসেছে তার বাহিরে কত যা দল উপদল আছে তা বলে শেষ করা যাবেনা……যেন ব্যাঙের ছাতা !!!

আর ফিলিস্তিনের তো আজন্ম সমস্যা ইসরাইল !!!

এই সমস্ত দল উপদল গুলোর একই বক্তব্য- তারা নিজ নিজ দেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করবে, দেশ উদ্ধার করবে !!! আর তাই তাদের ক্ষমতা দখল করতে হবে !!!  এইসব প্রতিটি দেশের মানুষ আজ বিভিন্ন দল উপদলে বিভক্ত, তারা আবার সশস্ত্র, তাদের ভিন্ন ভিন্ন মতাদর্শ !!! তাদের এক হবার সমস্ত পথ আজ বন্ধ !!!

মুসলিমরা আজ শিয়া, সুন্নী, কাদীয়ানী, হানাফী, ওয়াহাবী, খারীজী কত না ভাগে বিভক্ত !!! কোন ভাগটি সঠিক ?!?! প্রত্যেকের ধর্মীয় আনিষ্ঠানিক্তা ভিন্ন !! আমাদের গায়ের জোরে কথা বললে চলবে না ! চলুন আরো ভেতরে যাবার চেষ্টা করি !!!

কথা হচ্ছে কিছু কাল আগেও আরব বিশ্ব শান্ত ছিল ! সমৃদ্ধ ছিল ! আজ তাদের এই অবস্থা !!! কি ভাবে ???

কিছু দিন আগে এলো আরব বষন্ত !!!!!!!!! হায়রে বষন্ত ………! শুরু হল দির্ঘদিনের একনায়কদের অপসারিত করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন !!! তার বর্তমান পরিস্থিতি ঐ ! আকাতরে মরছে, সারিতে সারিতে  মরছে নিষ্পাপ শিশু, নারী – পুরুষ —– মানুষ —মানুষ মরছে —- মানুষ !!!

তারও আগে ইরাক ও লিবিয়ায় সাদ্দাম ও গাদ্দাফির মত একনায়কদের অপসারণের জন্য আক্রমন করে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশ গুলো । সাদ্দাম ও গাদ্দাফির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল পারমানবিক অস্ত্র, রাসায়নিক অস্ত্র, গণ হত্যা ইত্যাদি। পরবর্তিতে সেসব অভিযোগ মিথ্যা বলে  প্রমাণিত হয় ! দুঃখ প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্র, কিন্তু ততক্ষণে কাজের কাজ হয়ে গেছে !!!

তারও আগে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে কোয়ালিশন ফোর্স আক্রমন করে আফগানিস্তান ! উদ্দেশ্য তালিবান উৎখাত ও আল কায়েদা ধ্বংস করা ! সারা বিশ্ব তখন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে । কারণ, ৯/১১ এর টুইন টাওয়ার হামলা !!! ২০০১ সালের ঐ দিনটি ধীরে ধীরে বদলে দিল সারা বিশ্ব পরিস্থিতি। যা আজও এক রহস্য । ঠিক কি হয়েছিল সেদিন আমরা জানিনা ! কিন্তু সারা বিশ্ব মোটামোটি একটা বিষয় জানে যে সেদিনের টুইন টাওয়ার হামলায় হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, মুসলিম সমস্ত সম্প্রদায়ের লোক মারা গেলেও মারা যায়নি এক জন ইহুদি ও । অথচ, ৩ হাজারের অধিক ইহুদি টুইন টাওয়ারে কাজ করতেন। তারা কেউ সেদিন অফিসে যাননি !!!  কেন ?!?!?! তারা কি এই হামলায় জড়িত ছিল?!?!  এটা কি তবে ইসরাইলের হামলা ছিল ?!?!  মুসলিমদের উপর মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছিল ?!?! আমরা জানিনা। হয়ত জানবওনা কোন দিন । কারণ, যত দিন যাবে সম্ভাবনা তত কমবে ।

আসলে আমাদের তা জানার দরকারও নাই ! আমাদের জানতে হবে অন্য কিছু …… ভয়ংকর কিছু  !!!

পরিস্থিতি বলছে, যদি ৯/১১ হামলায় ইসরাইল জড়িত থাকে তাহলে আজকের মুসলিম বিশ্বের এই পরিস্থিতির জন্যও ইসরাইল দায়ী, ৯/১১ কেবল তার শুরু ছিল !

ইসরাইল কেন এই কাজ করবে, মুসলিমদের সাথে ইহুদিদের সমস্যা কোথায় ?!?! কারা এই ইহুদী ?!?!?!

ধর্ম গ্রন্থে সমস্ত জাতী গোষ্ঠীর পরিচয় সম্পর্কে বলা আছে। আসুন একটু অন্য ভাবে ভাবি !!!

আজকের ইসরাইল রাষ্ট্রের জন্ম কিভাবে হলো ?! সবাই জানি, ২য় বিশ্বযুদ্ধের মধ্যদিয়ে ! কিন্তু কিভাবে ?! এই নামেতো কোন দেশ ছিল না !

২য় বিশ্বযুদ্ধে সারা দুনিয়া জুড়ে চলল ইহুদী নিধন। আজকে যেমন চলছে মুসলিম নিধন তার চেয়েও ভয়াবহ ছিল সেই হত্যাযজ্ঞ !!! নাহ… অনেকটা এমনই ছিল…! আজকে যেমন, সিরিয়ায় বোমা পড়লে, শিশু মরলে হিন্দুদের কষ্ট লাগেনা, বৌদ্ধদের চিন্তা হয় না, খ্রীষ্টানরা ভাবেনা সে সময় ইহুদীরা মরলেও কেউ ভাবেনি। ইহুদী মরেছে দলে দলে, কাতারে কাতারে, সারে সারে………!!! সারা পৃথিবীতে সবাই তখন ইহুদিদের ঘৃণার চোখে দেখতো, সমাজে তাদের কোন সম্মান ছিল না, সামাজিক অনুষ্ঠানে লাথি মেরে চেয়ার থেকে ফেলে দিত তাদের !!!

যুদ্ধ শেষ হল !!! সবাই শান্তির কথা বলছে ! মানবতার কথা বলছে ! কিন্তু ইহুদিদের নিয়ে কি করা যায় ?! তারাও তো মানুষ !!! এত দিনে যেন বিশ্বনেতাদের (!!!!!!) বোধোদয় হল !!!  সমাধান এলো, সুন্দর সমাধান !! পৃথিবীর সমস্ত ইহুদিদের এক করে একটা নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে থাকতে দেয়া হোক, তাদের নিজস্ব একটা দেশ হোক !! ইহুদীরা খুশি হলো !  কিন্তু সমস্যা হল কোথায় তাদের থাকতে দেয়া যায় ?! কে তাদের জন্য জায়গা ছেড়ে দিবে ?! সারা দুনিয়ার ইহুদিদের এক জায়গায় স্থান দেয়া তো সহজ কথা নয় !! এগিয়ে এলো একটা কোম্পানী- একটা পরিবার- “রথশীল্ড কোম্পানী” । জানা যায়  বর্তমান ইসরাইল রাষ্ট্রের ৮০% জায়গার মালিক ছিল তারা ! অত্যন্ত সম্পদশালী এই পরিবার !   বর্তমান পৃথিবীর সব দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক পরিচালনা  করে এই পরিবার । বাংলাদেশেরও !!! শুধুমাত্র উত্তর কোরিয়া, ইরান ও কিউবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাদে ! এক সময় আফগানিস্তান, ইরাক, সূদান ও লিবিয়া ও এই দলে ছিল। কিন্তু

২০০০ সালের পর একে একে দেশ গুলোর সরকার পতনের মধ্য দিয়ে হিসেব পালটে যায় !!!

তাহলে কি আজকের এই যুদ্ধ পরিস্থিতির জন্য ………। হতে পারে …! প্রমাণ আছে, ২য় বিশ্বযুদ্ধে ইহুদী খতমের জন্য হিটলরের সবচেয়ে বড় অর্থের যোগান দাতা ছিল এই  “রথশীল্ড কোম্পানী” !!!!  কিন্তু কেন !!!  ইহুদীরা পৃথিবীর সবচেয়ে মেধাবী জাতী বলে তাদের খ্যাতি আছে !! তাদের প্রযুক্তি জ্ঞান, উদ্ভাবনী ক্ষমতা সম্পর্কে সারা বিশ্ব জানে। পৃথিবী জুড়ে মেধার পাচার সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। এমন কি হতে পারে, যে সমস্ত মেধাকে একটা জায়গায় নিয়ে আসা, তাদের উপর কর্তৃত্ত প্রতিষ্ঠা করা , পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বাজার ব্যাবস্থার মালিক হওয়ার জন্য একটা মাষ্টার প্ল্যান !!!

আসলে এসবের কোন কিছুই ধর্ম যুদ্ধ নয় !  it’s all Business !!!  ধর্মকে ব্যাবহার  করা হচ্ছে মাত্র !! একটি কথা শূধু বলতে চাই, বাংলাদেশের তরুন প্রজন্মকে আইএস হবার বা জংগী হবার আগে ভাবতে হবে। বিবেককে ব্যবহার করতে হবে।মানুষের জন্য ধর্ম, ধর্মের জন্য মানুষ না।

আপনিও কি লিখতে চান, প্রকাশ করতে চান আপনার নিজস্ব মতামত যে কোন বিষয়ে? তাহলে চলে আসুন আমাদের নতুন শেয়ারিং প্লাটফর্ম আর লিখুন নিজের কোন আর্টিকেল বা পোস্ট। আমাদের নতুন প্লাটফফর্মটি হলো – ফুডবার্তা। লিঙ্ক – www.FoodBarta.com

আপনার মন্তব্য