জঙ্গীরা সাবধান! এটা বাংলাদেশ!

127
SHARE

স্যাম্পল তো আমরা নিশ্চয় দেখেছেন? মশা-মাছির মত এদেশে জঙ্গীরা মরছে? দেখেছেন তো নাকি? গুলশান হামলার মাস্টারমাইন্ড তথা কাপুরুষদের এক নেতা – জংগী তামিমের লাশ এখন মুখ থুবড়ে মর্গে পরে আছে। জানেন তো তাই না? সেই সাথে আছে তার আরও ২ সংগীর লাশ। অত শীঘ্রই এসব লাশের ভিড়ে বাকী জংগীরাও যুক্ত হবে। খাতায় নাম আরও উঠবে। এই প্রসেস থামবে না কোনদিন। আগেও থামেনি। এবারও থামবে না।

এসব তামিমরা দেশবিরোধী চক্রান্ত করে কোনদিন কিছু করতে পারবে না। না পারবে তাদের জেএমবি অথবা আইএস – যাই হোক না কেন। কল্যানপুর অভিযানে এক গাদা সন্ত্রাসী মরেছিল। গুলশান হামলার অপারেশনে সব জংগী মরেছিল। যদিও মরার আগে তারা কাপূরষের মত নিরস্ত্র মানুষকে মেরে নিজেদের “বীরত্ব” দেখাতে গিয়েছিল। কিন্তু সেই বীরত্বে বাংলাদেশীরা থুথু মেরে দিয়েছে। এখন লাথি মারছে। গুলশান হামলার পর ৩ জন বাংলাদেশী সন্ত্রাসী সিরিয়ায় ধারন করা একটি ভিডিওতে বাংলাদেশকে হুমকি দিয়েছিল। ভাবটা এমন যেন বাংলাদেশ তাদের বাপের দেশ। নিজেদের মহাবীর ভেবে নিয়েছে তারা। তাদের পরিবারও তাদের উপর থুথু ছেটায়। ধর্মকে বিকৃত করে ধর্মের নামে ব্যবসা করে তারা নিজেদের ইসলামের সৈনিক বলে জাহির করে। এসব অন্য কোথাও বিক্রি হলেও বাংলাদেশে হবে না। এদেশের মানুষ খুব ভাল করেই জানে, মানবতার জন্য ধর্ম। ধর্মের জন্য মানবতা না।

‘মাশাল্লাহ, আল্লায় বাঁচাইলা!’ এই কথা বলেই গুলশান ও শোলাকিয়া হামলার মান্ডারমাইন্ড তামিম আহমেদ চৌধুরীর মৃত্যু সংবাদে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তার চাচাতো ভাই ফাহিম আহমদ চৌধুরী। শনিবার (২৭ আগস্ট) সকালে তামিমের মৃত্যুর খবর প্রকাশিত হওয়ার পর তার কথায় বোঝা গেল, এই মৃত্যু সংবাদে তারা (তামিমের স্বজনরা) উৎফুল্ল। [প্রথম আলো]

সামনে আরও খারাপ দিন আসছে এসব তথাকথিত জংগীদের জন্য। যে কাজ পৃথিবীর অন্যান্য দেশ করতে পারেনি সেকাজ বাংলাদেশ করে দেখাচ্ছে। আগেই বলেছিলাম, জঙ্গী দমনে বাংলাদেশ অন্যরকম ভূমিকা রাখবে কারন বাংলাদেশের কোন লুকানো এজেন্ডা নেই যেমনটা আছে পৃথিবীর অন্যান্য উন্নত দেশের।

কিন্তু অবাক করা বিষয় হলো, গুলশান হামলার সময় বিদেশী মিডিয়া যেমন অনবদ্য কাভারেজ দিয়ে বাংলাদেশকে “সন্ত্রাসী” রাষ্ট্র বানানোর যে গুরুদায়িত্ব হাতে নিয়েছিল, বাংলাদেশের সন্ত্রাসী দমনের খবরে তারা তেমন একটা উৎসাহী না। বড়ই নির্লজ্জ তাদের এধরনের বিচার। একসময় এধরনের আই-ওয়াশ ভাল চলত, কিন্তু এখনকার এই যুগে এধরনের আই-ওয়াশ কি আর চলে? বাংলাদেশের এই সফলতার ব্যাপারগুলো তারা ঢালাওভাবে প্রচার করে না কেন? আরও একটা ব্যাপার – নোবেলজয়ী ড ইউনুস তো আমেরিকার সাথে বেশ ভাল খাতিরে আছেন। তিনি কেন বাংলাদেশের এই সফলতার কথাগুলো বিশ্বের কাছে তুলে ধরেন না? তিনিও কি বায়াসড হয়ে গেছেন। এগুলো তো পুরো বাংলাদেশের অবদান! কোটি কোটি ডলার তিনি দান করেন আমেরিকায় – বড় দানবীর মানুষ, তো, একটু বাংলাদেশের এসব খবর তো তাদের কানে পোছে দেয়া দরকার। এসব সফলতার খবরগুলো আর কি। নাকি সেটাতে তার সমস্যা আছে? থাকলেও থাকতে পারে।

যাই হোক, প্রশাসনের এই সফলতাকে আমরা সাধুবাদ জনাই। যদিও ইতিমধ্যে নানা মত চলে এসেছে ইন্টারনেটে। কেন জ্যান্ত ধরা হলো না, কেন তথ্য বের করা হলো না – ইত্যাদি। কিন্তু একটা জংগী যদি নিজে জ্যান্ত ধরা দিতে না চায়, তাহলে কি করার আছে? সুইসাইড স্কোয়াডের সদস্য এরা। ধর্ম কেনা-বেচায় এরা হলো কারেন্সি। বিক্রি হয়ে গেছে এদের মন-প্রান অনেক আগেই। এরা জীবিত থাকলে ক্ষতির সম্ভাবনা প্রবল। এটা হয়তো আমাদের স্টাইল।

বাকী যেসব জংগী এখনও বাকী আছে মরার অপেক্ষায়, তারা তো ইতিমধ্যে বুঝেই গেছে – এটা বাংলাদেশ, এখানে ধর্ম ব্যবসা চলেনা। আরও অদ্ভুত ব্যাপার, এসব জংগীরা আবার স্বাধীনতা বিরোধীদের নাতিপুতি। কিছু অবশ্য ব্রেইনওয়াশ করাও আছে যেমন নিব্রাসসা। কিন্তু নেতাগুলো তো সব বাংলাদেশ বিরোধী – যেমন তামিম। মজার ব্যাপার হলো এটা নিয়ে এখন অনলাইনে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। আরও মজার হলো, তামিমের পক্ষে সাফাইও গাইছে একদল বোকা মানুষ। বোকা একারনে বলছি – কারন তারা আসলে নিজের শেকড় কোনটা এটাই জানেনা। তর্কের খাতিরে, কিংবা সস্তা জনপ্রিয়তা পেতে তারা উঠে পড়ে লাগে নিজেদের মতামত জাহির করার। আর এই মতামত জাহির করতে গিয়ে তারা নিজেদের লেজকে আর ঢেকে রাখতে পারে না। অন্যান্য দেশ হলে তাদের মত মানুষকে এতক্ষনে রিমান্ডে নিয়ে গিয়ে খাতির যত্ন করত। বাংলাদেশ বলে এসব হচ্ছে না।

জঙ্গীরা সাবধান! এটা বাংলাদেশ। এই দেশ ধর্ম ব্যবসার জন্য না। আগেও ছিল না। এবারও হবে না। এখনও যদি তারা বুঝতে না পেরে থাকে, তাহলে আর কিছুই করার নেই। Its too late to be back. We will have to let you go…….to the hell.

এনিয়ে আমাদের কিছু ভিডিও আছে, আরো সামনে আসছে। দেখতে চাইলে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন। লিঙ্ক – YouTube.com/Bangladeshism

ছবি ক্রেডিট – বাংলানিউজ২৪ ডট কম।

আপনার মন্তব্য