রাজাকারদের জন্য যাদের মায়াকান্না !!!!

41
SHARE

বাংলাদেশ স্বাধীন হল ! অনেক মানুষের অনেক ত্যাগের বিনিময়ে এলো এই স্বাধীনতা ! কিন্তু পরাধীন এই জাতিকে একজন মানুষ প্রথম  স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, অধিকার আর স্বাধিকারের কাব্য শুনিয়ে ছিলেন , তারপর সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে শোষনের নাগপাশ থেকে করেছিলেন মুক্ত !

তিনি এ জাতির জনক, তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান !

বাংলাদেশ কে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর অনেক স্বপ্ন থাকবে এটাই স্বাভাবিক ! কিন্তু সেসব স্বপ্ন পূরণের জন্য তার যেই সময় দরকার ছিল তা তিনি পাননি ! যে পরিবেশ দরকার ছিল তাও তখন ছিলনা ! যুদ্ধ বিদ্ধস্থ একটা দেশ, তাতে অন্তহীন সমস্যা ! একটি একটি করে যখন সমস্যা গুলোর সমাধানের দিকে তিনি চলতে শুরু করেছিলেন , ঠিক তখনই তাঁকে চলে যেতে হলো বাঙ্গালীদের একা রেখে !

বাধাগ্রস্থ হল বাংলাদেশের উন্নয়ন !

তারপর চলতে থাকল ক্ষমতার পালা বদলের খেলা ! ফলে বারবার হুমড়ি খেতে লাগল দেশের উন্নয়ন ! আর এই অবসরে পুনরায় সংগঠিত হয়ে উঠল স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি ! এ যেন বৃত্তের প্যাঁচ ঘুরে পুরোন ঠিকানার দিকে ছুটে চলা !

তাহলে কেন এই এত সব ত্যাগ তীতিক্ষা ?!?!?!

স্বপ্ন ছিল একটা একক জাতিসত্তা হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়াবার ! বাংলাদেশী হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার ! কিন্তু কোন আলোচনা সমালোচনা পর্যালোচনা করলে মনে হয় বাস্তবতা হল এদেশের মানুষ আজও বাঙ্গালী হয়ে উঠেনি , বাংলাদেশী হয়ে উঠেনি ! আলোচনা শুনলেই মনে হয় এক দল প্রো-পাকিস্তানী আর আরেকদল প্রো-ইন্ডিয়ান ! তাহলে বাংলাদেশীরা কোথায় , বিশুদ্ধ বাংলাদেশীরা , যারা স্বার্থবাজ নয় , ধান্দাবাজ নয় , শুধু বাংলাদেশী – গর্বিত বাংলাদেশী !

এ জাতীর অনেক কলংক আছে ! একে একে বাঙ্গালী জাতী সব কলংক থেকে দায় মুক্ত হবে ! যুদ্ধাপরাধীদের বিচার তার একটি মাত্র ! কিন্তু তা নিয়েও কত নাটক যে বাংলার মঞ্চে মঞ্চস্থ হল !!! আর আরো কত হবে !!! কত থলের বিড়াল যে বের হল !!! আরো কত হবে !!!

সালাউদ্দিন কাদের চৈধুরী , আলী আহসান মুজাহিদদের ফাঁসি স্থগিতের জন্য পাকিস্তান থেকে অনুরোধ আসে ! এম্যানেষ্টি ইণ্টাঃ মীর কাশেমদের জন্য তদবীর করে ! পক্ষে – বিপক্ষে কত কথা ! অথচ যারা পক্ষে – বিপক্ষে কথা বলছে তাদের মধ্যে ১০০০০ জনের মধ্যে ১ জন খুঁজে পাওয়া যাবে না যে পুরো বিচার প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করে পক্ষে বিপক্ষে কথা বলছে !  এদের কেউ সামাজিক নিয়ম রক্ষার্থে মন্তব্য করে , আবার কেউ অন্ধ অকারণ প্রতিহিংসা থেকে ! কিন্তু ব্যাপার যাই হোক এই সব আলোচনা – সমালোচনা থেকে একটা অবজারভেশন দাঁড়িয়ে যায়ঃ

বাংলাদেশে রাজাকার আর রাজাকারদের বংশধরেরা যথেষ্ট পরিমাণে মজুদ আছে !

আর মজার বিষয় হল বাংলাদেশে ২ জাতের রাজাকার পাওয়া যায় । একজাত প্রো-পাকিস্তানী আর     একজাত প্রো-ইন্ডিয়ান !

বাংলাদেশের জন্য এদের মনে কোন ভালোবাসা যে নেই , কোন চিন্তা যে নেই এটা তাদের মন্তব্য দেখলে, পড়লে , শুনলে সহজেই বোঝা যায় ! এই দেশটার জন্য এদের মন কাঁদেনা !

তোদের মন কার জন্য , কার স্বার্থে কাঁদে – রাজাকারের বাচ্চারা ?!?!?! এ এনিয়ে কিছুদিন আগে আমরা একটি বিশেষ ভিডিও রিলিজ করেছিলাম। নীচে জুড়তে দেয়া হলো সেই ভিডিও

আপনার মন্তব্য