বাংলাদেশে আসার জন্য আগাম ধন্যবাদ !

28
SHARE

শেষ পর্যন্ত এটা শুনতে ভাল লাগছে যে সব কিছুকে ছাপিয়ে ইংল্যান্ড বাংলাদেশে আসছে। এখন আর কোন কনফিউশন নেই। সন্ত্রাসী হামলা, গুলশান হামলার পর মোটামুটি পুরো বিশ্বের নজর বাংলাদেশের দিকেই ছিল। এসব ব্রেইনওয়াশড সন্ত্রাসীরা নিজেদের কাপুরুষতা দিয়ে বাংলাদেশের ইমেজ নষ্ট করার চেষ্টা করেছিল বিশ্ব দরবারে। আর সেই আঁচ গিয়ে পড়েছিল ক্রিকেটের উপরও। ইংল্যান্ড টিম বাংলাদেশে আসবে কিনা তা নিয়ে চলছিল নানারকম টালবাহানা। মোটামুটি দেশীয় ক্রিকেটের উপর একটা ধাক্কা আসছিল।

তবে এখন আর সেই কস্টটা নেই কারন আগামী ৩০শে সেপ্টেম্বর ইংল্যান্ড দল বাংলাদেশে আসছে পুরো একটি সিরিজ খেলার জন্য। ওয়ান্ডে এবং টেস্ট দুটোই হবে পুরো দমে। পুরো ইংল্যান্ড দলে শুধুমাত্র মরগান নিজেকে প্রত্যাহার করেছেন দল থেকে নিরাপত্তার কথা বলে। বাকীরা সবাই আসছেন বাংলাদেশে আর সাথে আসছেন ইংল্যান্ড দলের নতুন কিছু মুখ। মোটামুটি পূর্ন শক্তি নিয়েই আসছে ইংল্যান্ড দল।

আমার মতে, ইংল্যান্ড দলের বাংলাদেশে আসা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের যুদ্ধের একটা বড় জয়। গুলশান হামলার সেসব সন্ত্রাসীদের টার্গেটই ছিল বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা। তারা একপ্রকার সফল হয়ে যাচ্ছিল প্রায় কিন্তু বাঁধ সাধল প্রশাসনের একের পর এক জঙ্গী দমন অভিযান। প্রতিটা অভিযান সফল, প্রতিটি অভিযানে ধরে খেল সব সন্ত্রাসী – মাস্টারমাইন্ড। এত অল্প সময়ে খুব কম দেশই সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে এধরনের সফলতা দেখাতে পেরেছে। বাংলাদেশী হিসেবে ব্যাপারটা একটু গর্বেরই বৈকি। যদিও নিন্দুকেরা এখন “আওয়ামী দালাল” বলে গালি দিবেন, অথবা কেউ কেউ (যারা সন্ত্রাসী পন্ত্রী) তারা আরও খারাপ কিছু বলবেন। তবে ভাই, বাংলাদেশের দালাল হলে এই অনুভবটা আসবেই। যেভাবে বাংলাদেশ ক্রিকেটে বাংলাওয়াশ করে এসেছে অনেক দেশকে, ঠিক একই ভাবে এই মুহুর্তে চলছে জংগী ওয়াশ, এবং চলতেই থাকবে যতক্ষন না পর্যন্ত একেবারে পরিস্কার হচ্ছে।

যাই হোক, ইংল্যান্ড দলকে অগ্রিম ধন্যবাদ বাংলাদেশে আসার সিদ্ধান্ত নিরাপত্তার অজুহাতে না বদলানোর জন্য। ধন্যবাদ ইংল্যান্ড দলকে বাংলাদেশের উপর, নিরাপত্তার উপর আস্থা রাখার জন্য।

আপনার মন্তব্য