ফেসবুকে দেশীয় যৌনবিকৃতদের বিশাল আখড়া!!

75
SHARE

ঘটনা ফাঁস হয়েছে কয়েকদিন আগে কিন্তু আজ একেবারে বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে গেছে। ফেসবুকে পাওয়া গেছে দেশীয় যৌন বিকৃতদের এক বিশাল আখড়া। আর এই আখড়ার জনসংখ্যা প্রায় ১,২১,০০০ এর উপরে। ফেসবুকে একটা সিক্রেট গ্রুপের মাধ্যমে এই বিকৃতরা তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে। গত কদিনে বিভিন্ন পত্র-প্ত্রিকায় এই যৌন-মানসিক-বিকারগ্রস্তদের হুলিয়া ফাঁস হয়ে গেলেও বাংলাদেশের স্যোশাল নেটওয়ার্ক ততটা সরব ছিল না। কিন্তু আজ দুপুরে বাংলাদেশীজম প্রজেক্ট থেকে এই মানসিক বিকারগ্রস্তদের গ্রুপের বিররুধে একটি ভিডিও রিলিজ করা হয়। আর ঠিক তার পর থেকেই পরিস্থিতি পালটে গেছে।

p-4p-5

আমাদের অর্থাৎ বাংলাদেশীজম প্রজেক্টের ভিডিওটে তাদের কার্যকলাপ তুলে ধরা হয় আর সমাজের সুস্থ মানসিকতার মানুষদের আহবান করা হয় এধরনের অপরাধ বন্ধ করার তোর জোড় করার জন্য। এধরনের সাইবার ক্রাইমের কারনে বাংলাদেশের অনলাইন নেটওয়ার্ক মারাত্মক দূষিত হয়ে আছে। ভিডিও রিলিজ করার পর থেকেই DSU (Desperately Seeking Uncensored) নামের এই গ্রুপের নানা মেম্বার বাংলাদেশীজম প্রজেক্টের ইনবক্সে নানা রকম হুমকি সম্বলিত ইমেইল পাঠাতে শুরু করে। তারা নিজেদের সব আইনের উর্ধে বলেও দাবী করছে এখন।

ভিডিও লিঙ্ক – https://www.youtube.com/watch?v=1-yNWwLeCsA

তাদের বিকৃত মানসিকতার স্যাম্পল আমাদের সেই ভিডিও ছাড়াও অনেক পত্র-পত্রিকা আর আর ফেসবুকের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে গেছে ইতিমধ্যে। ইউটিউবে রিলিজ করা সেই ভিডিওতে এখন দেখা যাচ্ছে সেসব বিকৃত মানসিকতার মানুষদের আর্তনাদ। ভিডিওর কমেন্ট সেকশনে তারা হুমকি হতে শুরু করে তাদের এধরনের সাইবার ক্রাইমকে সাপোর্ট করে নানারকম মন্তব্য করছে আর সমানে ডিজলাইক দিচ্ছে যাতে করে ভিডিওটি বন্ধ করে দেয়া যায়। এরা সবই উল্লিখিত গ্রুপেরই মেম্বার বলেই দাবী করছে।

p-admin
গ্রুপের এডমিন প্যানেল

উল্লেখ্য এই সিক্রেট গ্রুপ্টি দেশে পর্নোগ্রাফি, ব্ল্যাকমেইলিং, অনলাইন-ইভটিজিং হতে শুরু করে নানা ধরনের অপরাধ করে আসছে। গত কদিন যদি ফেসবুকে ঢুকে থাকেন, তাহলে ইতিমধ্যে জানেন তাদের কার্যকলাম সম্পর্কে। আরও অবাক করা বিষয় হলো এই বিকারগ্রস্তদের গ্রপের মেম্বাররা সংঘবদ্ধ হয়ে নানাভাবে তাদের কৃত কার্যকলাপকে আরো বেশী উদ্বুদ্ধ করছে। যেখানে তাদের অপরাধবোধ থাকার কথা, সেখানে উল্টো তারা নিজেদের মার্কেটিং করে বেড়াচ্ছে।

 

এর চাইতে বড় কথা, বাংলাদেশে কিন্তু এখনও আইন আছে, সাইবার ক্রাইমের জন্যও অনেক আইন আছে। তারা এসব আইনের তোয়াক্কা না করে এধরনের গ্রুপ বানিয়ে দেশীয় অনলাইন নেটওয়ার্ক তো দূষিত করছেই, সেই সাথে পথে ঘাটে নারীদের নিরাপত্তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এরা একরকম প্রশাসনকে কাচকলা দেখিয়ে চলছে! আমরা এখনও জানিনা প্রশাসন এই ব্যাপারে অবহিত আছে কিনা, কিন্তু মানুষ আগে থেকেই প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করার চেষ্টা করছে।

এই গ্রুপের নামেই বলে দেয় এই গ্র্যপের কাজ কি। সুতারাং, বেশীরভাগ মানুষই জেনেশুনেই এই গ্রুপে ঢুকেছে। অবাক হচ্ছি সংখায়া এত! প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। আর হ্যাঁ, নীচে এই বিকারগ্রস্তদের গ্রুপের কিছু মেম্বারদের পাঠানো মন্তব্যের স্ক্রিনশট দিয়ে দিলাম। গা শিউরে উঠে এদের মানসিক বিকারগ্রস্ততার লেভেল দেখলে। কিভাবে তারা এত বড় অপরাধ করে আবার সেই অপ্রাধেরবাহাদুরী করছে!

12

3

 

আপনার মন্তব্য