এটা আবার কেমন গণতন্ত্র?


 

এটা আবার কেমন গণতন্ত্র? জনগণের বেশি ভোট পায় একজন আর প্রেসিডেন্ট হন আরেকজন! হ্যাঁ, আমেরিকান নির্বাচন নিয়ে এমন খবরই দিচ্ছে গণমাধ্যমগুলো। তারা বলছেন, ভোট বেশি পেয়েছেন হিলারি ক্লিনটন, কিন্তু শেষ হাসি হেসেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প!

তারা এটাও বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রে যদি সবচেয়ে বেশি প্রাপ্ত ভোটের ব্যবধানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের নিয়ম থাকতো, তাহলে দেশটির পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতেন হিলারি ক্লিনটন! কারণ নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে বেশি ভোট পেয়েছিলেন তিনি। হিলারি দুই লাখের বেশি ভোট পেয়েছেন।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনে হিলারি ক্লিনটন মোট ভোট পেয়েছেন ৫ কোটি ৯৭ লাখ ৯৬ হাজার ২৬৫ ভোট। ডোনাল্ড ট্রাম্প পেয়েছেন ৫ কোটি ৯৫ লাখ ৮৯ হাজার ৮০৬ভোট। অথচ, প্রেসিডেন্ট হলেন ট্রাম্প!

কিছুই তো বুঝতে পারছি না, জনগণের ভোট বেশি পেয়েও জনগণের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়া যায় না যে ব্যবস্থায় সেটাকে আবার গণতন্ত্র বলা যায় নাকি?

আজগুবি নিয়মে ৫৩৮টি ইলেক্টোরাল কলেজ ভোটের মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প বেশি পেয়েছেন। মূলত জনগণের ভোট নয় বরং এসব ইলেক্টোরাল ভোটের মাধ্যমেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আর ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়। আর সে সুযোগেই ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট!

এবারই প্রথম নয়, এর আগেও এমনটা হয়েছে। একই ঘটনা ঘটেছিল ২০০০ সালের নির্বাচনেও। সেবার ডেমোক্রেট প্রার্থী আল গোর পেয়েছিলেন ৫ কোটি ১০ লাখ ৯ হাজার ৮১০ ভোট। কিন্তু তার চেয়ে প্রায় ছয় লাখ কম ভোট পেয়েও রিপাবলিকান জর্জ ডব্লিউ বুশ প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। তার মোট ভোট ছিল ৫ কোটি ৪ লাখ ৬২ হাজার ৪১২টি!

বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্রের ফেরিওয়ালা আমেরিকানদের গণতন্ত্রের এই তাহলে নমুনা!

রিলেভেন্ট এই বিষয়গুলোর উপর ভিডিও দেখতে চাইলে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি – ঠিকানা – YouTube.com/Bangladeshism

আপনার মন্তব্য
Previous বান্দরবানে অন্তরালে থাকা বিশাল গুপ্ত গুহা ! ! এক্সক্লুসিভ ! !
Next ট্রাম্প বিনা কথা নাই