ট্যুরিস্ট পুলিশের আন্তরিকতায় জঞ্জাল মুক্ত সৈকত


ইতিপূর্বে যারা কক্সবাজার বেড়াতে গেছেন, তাদের কমবেশি সবারই তিক্ত অভিজ্ঞতা আছে। বিশেষ করে সমুদ্র সৈকতে একটু নিরিবিলি সময় কাটানো বা সমুদ্রের শোভা উপভোগ করা যেন ছিল প্রায় অসম্ভব বিষয়।

ফটোগ্রাফার, হকার, টোকাই, ভিক্ষুকের উৎপাত তো ছিলই, সেই সাথে ছিল চোরের উপদ্রব। একটু রাত হলেই দেখা দিতো ছিনতাইকারীর ভয়। আর সৈকতজুড়ে ছড়ানো ছিটানো থাকত প্লাস্টিকের বোতল, বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের পরিত্যাক্ত প্যাকেটসহ নানা প্রকারের ময়লা আবর্জনা।

সম্প্রতি প্রকাশিত এক খবরে জানা গেছে, আন্তরিকতার সাথে এসব সমস্যার সমাধান করে পর্যটকদের জন্য কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতকে আরও মনোরম ও নিরাপদ করে তুলেছেন কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশ।

ময়লা-আবর্জনা যাতে সৈকতে না ফেলতে হয়, তার জন্য প্রতিটি ছাতার সাথে ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বরাহ করা হয়েছে একটি করে ময়লার ঝুড়ি। সেই সাথে ছাতা ব্যবসায়ীদের জন্য তারা বেঁধে দিয়েছেন কিছু নিয়ম-কানুন। ফলে সৈকত এখন জঞ্জালমুক্ত।

তাছাড়া, পর্যটকদের আনন্দ ভ্রমণ আরও স্বাচ্ছন্দময়ী করে তুলতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত এলাকাকে ভিক্ষুক ও হকারমুক্ত ঘোষণা করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। এরই প্রেক্ষিতে বিচ সীমানায় টোকাই ও ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীদের নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ইতোমধ্যে ১৭ টোকাই, হকার, ভিক্ষুককে আটক করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। পাশাপাশি আটককৃত হকার, টোকাই, ভিক্ষুক ও ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীদের ব্যাপারে বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনাও নিয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।

ট্যুরিস্ট পুলিশের এ উদ্যোগ বিশ্ব দরবারে আমাদের কক্সবাজারকে আরও বেশি সুন্দর ও নিরাপদ সৈকত হিসেবে তুলে ধরতে সহায়তা করবে- এতে কোনো সন্দেহ নেই। সেই সাথে বাড়বে পর্যটকদের ভিড়। পর্যটন খাতে বাড়বে আমাদের আয় এবং সুনামও। তাই স্যালুট আমাদের ট্যুরিস্ট পুলিশকে, তাদের আন্তরিক প্রয়াশের জন্য।

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের এ আন্তরিক উদ্যোগ যদি অন্যান্য পর্যটন স্পটগুলোতে কর্মরতরাও গ্রহণ করেন, তাহলেই আমাদের দেশ পরিচিত হতে পারে প্রকৃত পর্যটক বান্ধব দেশ হিসেবে।

Latest Video Release

বাংলাদেশের টাইগারদের উৎসর্গ করে বাংলাদেশীজম প্রজেক্ট তৈরী করেছে একটি বিশেষ ভিডিও। নীচে ভিডিওটি দিয়ে দিলাম। দেখে ফেলুন।

আপনার মন্তব্য
Previous ফাঁদে ফেলে অনলাইনে নারী মডেলদের সাথে অশ্লীলতা
Next প্রথমবারের মতো ধাক্কা খেলেন অং সান সু চি