সাগরতলে লুকিয়ে আছে কত রহস্য

61
SHARE

আশরাফুল ইসলাম : পৃথিবীর মোট আয়তনের চারভাগের তিন ভাগই পানি। এক ভাগ স্থলেই লুকিয়ে থাকা রহস্যেরই কূলকিনারা করে শেষ করতে পারেনি মানুষ। সেখানে সাগরতল তো বলতে এখনও অজানাই রয়েগেছে।

আর যেকোনো অজানার প্রতিই মানুষের আকর্ষণ বেশি থাকে। অজানাকে জানতেই অনুসন্ধান ও গবেষণা চলছে অবিরত। সাগরতল নিয়েও মানুষ ব্যাপক গবেষণা করে যাচ্ছে নিরন্তর। এমনই একটি গবেষক দল গালফ অব মেক্সিকো সাগরের তলদেশে অদ্ভুত এক স্থানের সন্ধান পেয়েছেন।

গবেষকদের বরাত দিয়ে ফক্স নিউজ জানিয়েছে, সাগরের তলের এ স্থানটি অন্যান্য স্থান থেকে অনেকটা আলাদা। আর বিশাল এ স্থানে রয়েছে প্রচুর প্রাণীর মৃতদেহ। সে কারণেই এটিকে চিহ্বিত করা হচ্ছেডেথ জোনহিসেবে। সাগরের হাজার ফুট নিচে এ লেকটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৮২ ফুট। অদ্ভুত এ অঞ্চলের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন গবেষকরা।

এ প্রসঙ্গে গবেষকরা বলেন, সাগরের তলদেশে এ স্থানটি অন্যান্য স্থান থেকে আলাদা। এখানে সমুদ্রের পানি যেমন অন্য স্থানের তুলনায় বেশি লবণাক্ত তেমন পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণও কম। ফলে এ অঞ্চলে প্রবেশ করলে বহু সামুদ্রিক প্রাণী মৃত্যুমুখে পতিত হয়।

সম্প্রতি ই/ফাইভ নটিলাস নামে এক গবেষণা জাহাজ এ স্থানটি আবিষ্কার করেছে। আর সমুদ্রের তলদেশের এ লেকটিকে তারাজ্যাকুচি অব ডেসপেয়ারবলছে।

অনুসন্ধানকারীরা জাহাজ থেকেই বিস্তারিত অনুসন্ধান করেছেন এবং এ অঞ্চলের মানচিত্র তৈরি করেছেন। অনুসন্ধানকারীরা জানিয়েছেন, সাগরের তলদেশে এ অঞ্চলে বিপুল প্রাণী যেমন মাছ ও কাঁকড়ার মৃতদেহ পড়ে রয়েছে। সাগরের তলদেশের এ অঞ্চলের পানির উষ্ণতা অন্য অঞ্চল থেকে বেশি।

গবেষকদের একজন স্কট ওয়াঙ্কেল। তিনি ওসেনোগ্রাফিক ইনস্টিটিউশনে কর্মরত। তিনি বলেন, ‘এ অঞ্চলের পানি অত্যন্ত লবণাক্ত।আর পানি লবণাক্ত হওয়ার কারণে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রাণীরা এখানে আসলে মৃত্যুমুখে পতিত হয়। আর অতিরিক্ত লবণাক্ততার কারণে সেগুলো পচে না গিয়ে বরং সংরক্ষিত হয়ে যায়।

আপনার মন্তব্য