শক্তিশালী হচ্ছে ঘূর্নিঝড় “নাডা”

36
SHARE

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিচ্ছে। সাগর রয়েছে উত্তাল। সাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকাগুলোকে ৪ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এই ঘূর্নিঝড়ের নাম দেয়া হছে “নাডা”।

আবহাওয়া অধিদফতরের বুলেটিনে বলা হয়, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি সামান্য উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। তবে এটি নিম্নচাপ থেকে দ্রুত গভীর নিম্নচাপে পরিণত হচ্ছে। এটি আজ শনিবার সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৬৫ কি.মি. পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৩৫ কি.মি. পশ্চিম-দক্ষিণ পশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮০০ কি. মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮২০ কি. মি. দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘণীভূত হয়ে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে। নিম্নচাপটির প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে গভীর সঞ্চারণশীল মেঘমালার সৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরসমূহের ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

আবহাওয়া অফিসের আগের বুলেটিনে জানানো হয়েছে, নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কি. মি. এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কি.মি. যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৫০ কি. মি. পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দর সমূহকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছধরা নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদেরকে গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় ‘নাডা’র প্রভাবে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও কলকাতা এলাকাতেও গত বৃহস্পতিবার থেকে প্রচুর বৃষ্টিপাত হচ্ছে। কলকাতার সংবাদমাধ্যমগুলো ভারতের দিল্লির মৌসম ভবনের সাইক্লোন সতর্কতা বিভাগের অধিকর্তা এম মহাপাত্রকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, ‘নাডার গতিপথের গাণিতিক সমীকরণ বলছে, শনিবার-রবিবার সামুদ্রিক ঝড় নাডা বাংলাদেশ উপকূলে আছড়ে পড়বে। নাডার কারণে আগামী শুক্র থেকে রবিবার অন্ধ্র প্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, ওডিশার উপকূলবর্তী অঞ্চলে ভারি বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।’

cyclone

আপনার মন্তব্য