পাশার দান উল্টে যেতে পারে

29
SHARE

হিলারি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হেরে গেছেন এবং সেটা তিনি মেনেও নিয়েছেন। ফলাফল প্রকাশের সাথে সাথে তিনি নব নির্বাচিত ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিনন্দনও জানিয়েছেন। কিন্তু মানতে পারছেন না তার লক্ষ লক্ষ সমর্থক।

হিলারির সমর্থকগোষ্ঠির বিপুল সংখ্যক এখনও ভাবছেন, যা কিছু হয়েছে, হচ্ছে এসবের কিছুই সত্যি না। এসব হচ্ছে হয়তো কল্পনায় কিংবা অন্যকোনোভাবে। কিন্তু বাস্তবে অবশ্যই না। আর যদি সেটা বাস্তবে হয়েও থাকে তাহলেও সেটা শেষ পর্যন্ত টিকবে না। যে করেই হোক ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্ট হওয়া থেকে বিরত রাখা যাবে।

আর সেটা সম্ভবের একটা উপায় নিয়েও গভীরভাবে ভাবছেন তারা। কারণ আমেরিকান সংবিধান অনুযায়ী জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন ইলেক্টরাল কলেজের সদস্যরা। সারা দেশে মোট ৫৩৮ জন ইলেক্টরাল সদস্য নির্বাচিত হন। এই ইলেক্টরাল সদস্যরাই আগামী ১৯ ডিসেম্বর এক সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করবেন। আসল খেলাটা দেখাতে পারেন তারাই।

এটা সত্য যে ৫৩৮ ইলেক্টরাল ভোটের মধ্যে সুস্পষ্ট সংখ্যক বেশি ভোট পেয়ে ইতোমধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়াটাকে নিশ্চিত করে ফেলেছেন। কিন্তু গলদ আছে এক জায়গায়। আর সেটি হলো এই ইলেক্টরাল ভোটাররা যার ব্যানার থেকেই নির্বাচিত হোন না কেন, আগামী ১৯ ডিসেম্বর এই ইলেক্টরাল ভোটাররা কাউকে নির্ধারিতভাবে ভোট দিতে বাধ্য নন সাংবিধানিকভাবে।

আর আমেরিকান সংবিধানের এই স্বাধীনতাকে ব্যবহার করে যদি ট্রাম্পের দলীয় ব্যানার থেকে নির্বাচিত কোনো কোনো ভোটার তাকে ভোট না দিয়ে হিলারির পক্ষেই তাদের স্বাক্ষর করে বসেন তাহলে পাশার দান উল্টে যেতে পারে।

যদিও এমনটি ঘটার ইতিহাস নেই আমেরিকায়, তারপরও হিলারির সমর্থকগোষ্ঠি ভাবছেন ট্রাম্পের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড এবং নির্বাচন পরবর্তী শ্বেতাঙ্গদের উগ্রতা দেখে কোনো কোনো ইলেক্টরাল ভোটার তাদের সিদ্ধান্ত নতুন করে নিতেই পারেন।

আর সেই আশাতেই তারা তাকিয়ে আছেন ১৯ ডিসেম্বরের সম্মেলনের দিকে।

রিলেভেন্ট এই বিষয়গুলোর উপর ভিডিও দেখতে চাইলে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি – ঠিকানা – YouTube.com/Bangladeshism

আপনার মন্তব্য