কিছু রোহিঙ্গার জীবন বাঁচিয়েছে বাংলাদেশ

31
SHARE

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জানিয়েছেন, মিয়ানমারে চলমান বর্বর নির্যাতন থেকে বাঁচতে পালিয়ে আসা কিছু রোহিঙ্গাকে মানবিক কারণে আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ। এর বাইরেও দুর্গম অঞ্চল হওয়ায় খোলা সীমান্ত দিয়ে অনেক রোহিঙ্গায় বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা জেনেছি, এ ধরনের কিছু কেস এসেছে, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে তাদের (রোহিঙ্গা) ঢুকতে না দিয়ে পারা যায়নি। এ রকমও আছে। তাদের চিকিৎসা ও খাবারের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। এর বেশি আর বলা যাবে না। তবে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) নজরদারিতে রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

Latest Video Release

বাংলাদেশের টাইগারদের উৎসর্গ করে বাংলাদেশীজম প্রজেক্ট তৈরী করেছে একটি বিশেষ ভিডিও। নীচে ভিডিওটি দিয়ে দিলাম। দেখে ফেলুন।

এটি সত্যিই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমাদের সীমিত সামর্থ্য বিবেচনায় যতটা সম্ভব বিপন্ন জনগোষ্ঠি রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব।

মিয়ানমার থেকে প্রাণভয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা অভিযোগ করছেন, রাখাইন প্রদেশে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে খুন এবং ব্যাপক নির্যাতন চালাচ্ছে। মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের বাড়িঘরে আগুন দিচ্ছে। তারা শিশুদের আগুনে ছুঁড়ে ফেলছে।পুরুষদের ধরে ধরে হয় গুলি করা হচ্ছে, নয়তো গলা কেটে ফেলা হচ্ছে। সেখানে অনেক নারী এখন স্বামীহারা।

এই নরক যন্ত্রণা থেকে প্রাণ বাঁচাতে রাতের অন্ধকারে রোহিঙ্গারা সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছে। কিন্তু বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষীদের কড়া নজরদারীর কারণে তাদের বেশির ভাগই হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছে।

কিন্তু পেছনে ফিরে যাবার কোনো ঠিকানা না থাকায় অনেকেই নাফ নদীতেই দিনের পর দিন নৌকায় ভাসছে। সেখানে না তাদের জন্য না আছে খাবার, না আছে ওষুধপত্র। তাই অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন বলেও জানা গেছে। আর এমন বিপন্নদের নিয়ে কোনো নৌকা বিজিবির হাতে আটক হলে তাদের খাবার এবং চিকিৎসা দিয়ে ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করছে বলেও জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী।

বাংলাদেশের এই উদ্যোগের ফলে পুরো সমস্যার সমাধান হবে না ঠিক, কিন্তু তাতে অন্তত কিছু বিপন্ন মানুষের জীবন বাঁচাতে অবশ্যই সাহায্য করবে। তবে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান খোঁজে বের করতে হলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সাথে নিয়ে মিয়ানমারের ওপর কার্যকর চাপ সৃষ্টি করা এখন খুবই জরুরি।

আপনার মন্তব্য