দুনিয়া কাঁপানো হ্যাকিং


খবর পাওয়া গেছে, এবার রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকে হ্যাকারদের আক্রমণে টাকা লুটের ঘটনা ঘটেছে। আবার সেটাও নাকি করেছে বিদেশি কোনো গোয়েন্দা সংস্থা! কিন্তু সেটা কীভাবে সম্ভব? রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন তো কয়েক দিন আগেই ঘোষণা দিয়েছেন, তাদের স্বার্থে কাউকে আঘাত হানার সুযোগ তিনি দেবেন না।

তাছাড়া, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন নিজ দেশের স্বার্থ রক্ষায়।

সর্বোচ্চ ক্ষমতার পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করছেন বিভিন্ন স্থানে। ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থাও স্থাপন করছেন ন্যাটোকে টার্গেট করে।

১২ মিনিটের মধ্যেই আমেরিকায় আঘাত হানতে সক্ষম অস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়ে আমেরিকার নতুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য সতর্কবার্তাও দিয়েছেন।

শুধু যে প্রচলিত অস্ত্রের দিকেই তিনি মনোযোগ নিবদ্ধ রেখেছেন তাও নয়, বরং ডিজিটাল দুনিয়ায় আধিপত্য বিস্তার করতে তথ্য-প্রযুক্তির সর্বোচ্চ জ্ঞান অর্জনের জন্যও রাশিয়ার সেনা বাহিনীর বিশেষ ইউনিটকে দায়িত্ব দিয়েছেন।

ধারণা করা হচ্ছে, তারা নিজ দেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আমেরিকাসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের তথ্য-উপাত্ত হাতিয়ে নেওয়ার জন্য চৌকস হ্যাকার গোষ্ঠীও তৈরি করছেন।

তাহলে এতকিছুর পরও হ্যাকাররা খোদ রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিরাপত্তার ভেতরেই ঢুকে পড়ল কীভাবে? এই হ্যাকারদের কি মনে একটু ডর-ভয়ও নেই?

এর আগে বাংলাদেশ, যুক্তরাজ্যসহ আরও অনেক দেশে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু সেসব দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আর রাশিয়ার নিরাপত্তা তো আর এক জিনিস নয়। রাশিয়ার নিরাপত্তা একেবারে খাঁটি পারমাণবিক বোমার চাদরে ঢাকা। তারপরও ঠেকানো গেল না হ্যাকারদের!

যাহোক, হ্যাকারদে বুকের পাটা আছে বলতে হবে। তাই তারা রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকে হামলা করে দুনিয়া কাঁপিয়ে দিয়েছে।

তবে এটাও স্বীকার করতে হবে যে, ডিজিটাল দুনিয়ার নিরাপত্তা ব্যবস্থা হ্যাকারদের রুখে দেওয়ার মতো পর্যায়ে এখনও উন্নীত হয়নি। সেটাই প্রমাণিত হয়েছে রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায়।

অবশ্য রাশিয়ার দাবি করছে, হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে সংঘটিত এই চুরির পেছনে হাত রয়েছে বিদেশি কোনো গোয়েন্দা সংস্থার। তারাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাশিয়ার ব্যাংকিং ব্যবস্থা নিয়ে নেতিবাচক সংবাদ প্রচার করে অর্থ চুরির এই ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছে।

রাশিয়ার অভিযোগ যদি সত্যি হয়, আর সেটা যদি তারা শনাক্ত করতে পারে তাহলে পাল্টা ব্যবস্থা কী নেবে সেটাই এখন দেখার বিষয়!

Latest Video Release

বাংলাদেশের টাইগারদের উৎসর্গ করে বাংলাদেশীজম প্রজেক্ট তৈরী করেছে একটি বিশেষ ভিডিও। নীচে ভিডিওটি দিয়ে দিলাম। দেখে ফেলুন

আপনার মন্তব্য
Previous নাজিব রাজাকের মতো অন্যরাও এগিয়ে এলে লেজগুটাতে বাধ্য হতো মিয়ানমার
Next গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী