প্রমত্ত পদ্মার বুক ফুঁড়ে জেগে উঠছে বাংলাদেশের অহংকার

39
SHARE

প্রমত্ত পদ্মার বুকে বাংলাদেশের অহংকার হিসেবে জেগে উঠতে শুরু করেছে পদ্মা সেতুর স্ট্রাকচার। এটি আসলেই বাংলাদেশের অহংকার এবং গর্বের প্রতীক। কেননা, নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের স্বপ্নও এতদিন দেখেনি বাংলাদেশ।

এমনকি বহির্বিশ্বও এতদিন এটা ভেবে এসেছে যে, বড় কোনো প্রকল্প বাস্তবায়ন করা বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই তারা নানা কায়দা করে নতুন নতুন শর্ত দিয়েছে ঋণ দিতে গিয়ে।

আর পদ্মা সেতুতে ঋণ দিতে গিয়েও শেষ পর্যন্ত সে সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে বিশ্বব্যাংক। শুধু ঋণ প্রদানের সিদ্ধান্ত বাতিল করেই তারা থামেনি, দুর্নীতির কলঙ্কও দিয়েছে।

কিন্তু তাতে দমে যায়নি বাংলাদেশ। বরং কারো ওপর ভরসা না করে নিজস্ব অর্থায়নেই শুরু করেছে নির্মাণ কাজ। যদিও বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত নিজস্ব অর্থায়নে এটা নির্মাণ করতে পারবে শুরুতে সেটা কেউ বিশ্বাস করেনি।

এখন পদ্মা সেতু হবে কিনা সেটা নিয়ে বিশ্বাস-অবিশ্বাসের প্রশ্নটাই বাতাসে মিলিয়ে গেছে। কেননা, পদ্মার বুকে এখন সেতুর স্ট্রাকচার দৃশ্যমান। দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে নির্মাণকাজ।

স্বপ্নের এ সেতুর সুপারস্ট্রাকচারের প্রথম স্প্যানটিও পুরোপুরি প্রস্তুত। বর্তমানে এটিতে ভর সক্ষমতা যাচাই করা হচ্ছে। কয়েক দিনের মধ্যেই স্প্যানটি বসানো হবে পিলারের ওপর। আর তখনই দৃশ্যমান হবে পদ্মা সেতুর একাংশ। প্রমত্ত পদ্মার বুক ফুঁড়ে জেগে উঠবে বাংলাদেশের অহংকার।

কয়েক দিন আগেই উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি ভাসমান ক্রেন চীনের জোহাও থেকে এসেছে মাওয়ায়। এই ক্রেন দিয়েই হবে পদ্মা সেতুর সুপারস্ট্রাকচার স্থাপনের কাজ।

পদ্মা সেতুর ১৫০ মিটার দীর্ঘ সুপারস্ট্রাকচারগুলো সরাসরি পিলারে বসাতে হবে, যার একেকটির ওজন প্রায় দুই হাজার ৯০০ টন। আর চীন থেকে নতুন আনা ভাসমান এ ক্রেনের ধারণক্ষমতা তিন হাজার ৬০০ টন।

ফলে সেতুর সুপারস্ট্রাকচার স্থাপনের সব আয়োজন প্রায় সম্পন্ন।
আর এর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সক্ষমতার প্রমাণ হিসেবে মাথা উঁচু করেই জানান দেবে সেটি।

প্রমাণ হয়ে যাবে, অন্য কারো সহায়তা ছাড়াও আমরা পারি অনেক কিছু করে দেখাতে।

Latest Video Release

বাংলাদেশের টাইগারদের উৎসর্গ করে বাংলাদেশীজম প্রজেক্ট তৈরী করেছে একটি বিশেষ ভিডিও। নীচে ভিডিওটি দিয়ে দিলাম। দেখে ফেলুন

আপনার মন্তব্য