প্রাচীর ঘেরা দুর্গ ছিল মঙ্গল গ্রহে

27
SHARE

ইশতিয়াক আহমেদ
সৌরজগতে পৃথিবীর পরই মঙ্গল গ্রহের স্থান, যেখানে জীবনের অস্তিত্ব থাকার প্রবল সম্ভাবনা নিয়ে বিজ্ঞানীদের নিরন্তর গবেষণা চলছে।

পৃথিবী থেকে অনেকটা লাল দেখানোর কারণে আমাদের প্রতিবেশী এই গ্রহটির আরেক নাম লাল গ্রহ। তো, এই লাল গ্রহটির সঙ্গে পৃথিবীর বেশ কিছু বৈশিষ্ট্যের মিলও রয়েছে।

পৃথিবীর মতো ভূ-ত্বক রয়েছে মঙ্গলের। এর ভূ-ত্বকে রয়েছে চাঁদের মতো অসংখ্য খাদ। আর পৃথিবীর মতো আগ্নেয়গিরি, মরুভূমি এবং মেরুদেশীয় বরফও আছে।

শুধু তাই নয়, সৌর জগতের সর্ববৃহৎ পাহাড় এই গ্রহে অবস্থিত। এর নাম অলিম্পাস মন্স। সর্ববৃহৎ গভীর গিরিখাতটিও এই গ্রহে, যার নাম ভ্যালিস মেরিনারিস। মঙ্গলের ঘূর্ণন কাল এবং ঋতু পরিবর্তনও অনেকটা পৃথিবীর মতো। তাছাড়া, পৃথিবীর মতো না হলেও কিছুটা ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের বায়ুমণ্ডল আছে মঙ্গলের।

এসব কারণেই মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্ব থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলেই মনে করেন বিজ্ঞানীরা। আর তাদের এ ধারণার পক্ষে নানা সময় নানা তথ্য-উপাত্তও পাওয়া যাচ্ছে, বিশেষ করে মঙ্গলে পাঠানো মহাকাশযান থেকে যেসব ছবি পাওয়া যায় তাতে বিজ্ঞানীরা নতুন করে উৎসাহী উঠেন।

সর্বশেষ মহাকাশযান মার্স রিকনসায়েন্স অরবিটারের তোলা ছবি দেখে নাসার মহাকাশ বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, একদা প্রাচীর ঘেরা শহর কিংবা দুর্ঘও ছিল মঙ্গল গ্রহে।

মহাকাশযান মার্স রিকনসায়েন্স অরবিটারের তোলা ছবি দিয়ে বানানো একটি ভিডিও ফুটেজ সম্প্রতি ইউটিউবে আপলোড করা হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে বড় বড় গোলাকৃতি অঞ্চল ঘেরা রয়েছে পাঁচিলের মতো গঠন দিয়ে।

জানা যায়, নাসা’র মার্স রিকনসায়েন্স অরবিটার ২০০৫ সালে মঙ্গল-পৃষ্ঠে পানির অস্তিত্ব খুঁজতে পৃথিবী থেকে যাত্রা শুরু করে। কিন্তু পানির খোঁজের পাশাপাশি সেখানে বেশ কিছু ধ্বংসাবশেষের ছবিও পাঠায়। এই ধ্বংসাবশেষগুলির সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকার পুরনো জনপদগুলির প্রচুর মিল রয়েছে।

তাই কেউ কেউ বলছেন, নব্যপ্রস্তর যুগের সভ্যতার জনপদের সঙ্গে মিল রয়েছে আকৃতিগুলির। উল্কাপাতের ফলে এমন গঠন তৈরি হওয়ার একটা সম্ভানার কথা আলোচনায় উঠে এসেছিল। কিন্তু তাতে এমন নিখুঁত গোল আকৃতি সৃষ্টি হওয়া সম্ভব নয় বলেও মনে করছেন অনেকে। তবে কি সত্যিই মঙ্গলগ্রহে এক সময় জনবসতি ছিল?

Latest Video Release

বাংলাদেশের টাইগারদের উৎসর্গ করে বাংলাদেশীজম প্রজেক্ট তৈরী করেছে একটি বিশেষ ভিডিও। নীচে ভিডিওটি দিয়ে দিলাম। দেখে ফেলুন

আপনার মন্তব্য