আকাশে দেখা দিয়েছে ইলেক্ট্রিক মেঘ আতঙ্ক

35
SHARE

অ্যান্টার্কটিকার আকাশে উজ্জ্বল নীল আলোর মেঘ দেখে বিপদের আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা। নাসার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, অ্যান্টার্কটিকার আকাশে বৈদ্যুতিক মেঘ দেখা দিয়েছে। যার মধ্যে সমূহ বিপদ লুকিয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা।

অ্যান্টার্কটিকার আকাশে প্রতি বছরই বৈদ্যুতিক মেঘের সৃষ্টি হয়। কিন্তু এবার তার মধ্যেও ভিন্নতা দেখতে পাচ্ছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। অন্যান্য বারের চেয়ে এবারের মেঘের বিস্তৃতি অনেক বেশি। তাছাড়া মেঘ থেকে ঠিকরে পড়ছে উজ্জ্বল নীল আলোর দ্যুতি।

তাছাড়া, অন্যবারের চেয়ে এবার সময়ের আগেই দেখা দিয়েছে নীলাভ ইলেকট্রিক মেঘ। আর এই মেঘের ফলে সেখানকার শহরগুলোর রাতের আকাশে লাল-নীল আলোর এক অদ্ভূত খেলা দেখা যাচ্ছে। কিন্তু এর ফল কী হতে পারে তার স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাচ্ছে না।

নাসার অ্যারোনমি অব আইস ইন দ্য মেসোস্ফিয়ারের (এআইএম) বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, উষ্ণায়নের জন্য পৃথিবীর জলবায়ুর পরিবর্তন হচ্ছে। আর এর জন্যই অ্যান্টার্কটিকার আকাশে বাড়ছে লাল-নীল ইলেকট্রিক মেঘের পরিমাণ।
জানা গেছে, ইলেকট্রিক মেঘ বলতে বোঝায় এক ধরনের ছোট ছোট বরফের স্ফটিকের সমষ্টিকে। সাধারণত পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের ৫০ কিলোমিটার ওপরে থাকে এই মেঘ।

নিরক্ষরেখার উত্তর বা দক্ষিণে গ্রীষ্মকালের গোধূলির সময় এ বৈদ্যুতিক মেঘের দেখা মেলে। গ্রীষ্মকালে বায়ুমণ্ডলের উপরিস্থল ঠাণ্ডা থাকায় মেঘগুলো বরফের স্ফটিকে পরিণত হয়।

বিজ্ঞানীদের দাবি, আবহাওয়া এবং জলবায়ুর পরিবর্তন যত বেশি হয়, এই মেঘের বিস্তৃতি ততই বাড়ে। এবার অ্যান্টার্টিকার আকাশে বড় পরিসরে বৈদ্যুতিক মেঘের সৃষ্টি হওয়াটা বৈশ্বিক তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

১৮৮৫ সালে প্রথম ইলেকট্রিক মেঘ আবিষ্কার হয়। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, উত্তর এবং দক্ষিণ গোলার্ধে প্রতি বছর গ্রীষ্মকালে এই মেঘ দেখা যায়। কিন্তু যত দিন যাচ্ছে এই মেঘ আরও বেশি করে দুই গোলার্ধকে ছেয়ে ফেলছে। সময়ের আগেই এর আবির্ভাব ঘটছে।

এটা আসলে জলবায়ু বিপর্যয়েরই ইঙ্গিত বহন করছে। দ্রুত পৃথিবীর উষ্ণায়ন বন্ধ করা না গেলে এর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে গোটা বিশ্বে।

Latest Video Release

বাংলাদেশের টাইগারদের উৎসর্গ করে বাংলাদেশীজম প্রজেক্ট তৈরী করেছে একটি বিশেষ ভিডিও। নীচে ভিডিওটি দিয়ে দিলাম। দেখে ফেলুন

আপনার মন্তব্য