হিলারী প্রেসিডেন্ট?

আমেরিকার নির্বাচনে রাশিয়ার প্রভাব এবং হ্যাকিং করে নির্বাচনের ফলাফল বদলে দেয়ার যে রিপোর্ট আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা দিয়েছে তাতে করে আমেরিকার জনগনের মাঝে বেশ সংশয় দেখা দিয়েছে। যেকোন মুহুর্তে সবকিছু বদলে যেতে পারে বলেই অনেকে মনে করছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেও পূর্নঅভাবে এখনও নির্বাচন শেষ হয়নি। বাকী রয়ে গেছে আরেকটি গুরুত্বপূর্ন ব্যাপার। আর সেটি হলো ইলেক্টোরাল ভোট।

ইলেক্টোরাল কলেজের ভোটাররা এখন আছেন নানা সংশয়ে। কাকে ভোট দিয়ে তারা নির্বাচিত করবেন প্রেসিডেন্ট এ নিয়ে দারুন উত্তেজনা চলছে আমেরিকার নির্বাচনের মাঠে। গতকালের একটি রিপোর্টে বলা হয় অন্তত ৩০ জন ইলেক্টোরাল ভোটার তাঁদের মত পরিবর্তন করতে পারেন। আমেরিকার নির্বাচনের নাইন অনুসারে ইলেক্টোরাল ভোটাররা ভোট পরিবর্তন করতে পারেন না। কখনও এমন কোন বড় নজির নেই। কিন্তু আমেরিকার নির্বাচনে হ্যাকিং এর খবর চারিদিকে চাউর হয়ে গেলে আর রাশিয়ার গোমর ফাঁস হয়ে যাওয়ার কারনে নতুন করে দোটানা দেখে দিয়েছে। হিলারী ক্লিন্টনও প্রথমবারের মত গতকাল রাশিয়া দুষলেন আমেরিকার নির্বাচন বিপর্যয়ের কারন হিসেবে। দেশটির বেশীরভাগ মিডিয়া বা নিউ আউটলেট এমনকি সাধারন মানুষও আমেরিকার এই নির্বাচনকে একটি বিপর্যয় হিসেবেই দেখছেন। যদিও পপুলার ভোটে হিলারী বেশ বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

এখন ইলেক্টোরাল ভোট গুলে উলটে যাবার একটা সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। যা হলে পুরো ব্যাপারটাই ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যাবে। তার উপর, নির্বাচিত হবার পর ট্রাম্পের বেশ কিছু কার্যক্রমে বিরক্ত আমেরিকার জনগন। এমনকি যারা ট্রাম্পকে ভোট দিয়েছেন, তারাও বলছেন “হয়তো আমরা ভুল করেছি”।

স্মরনকালের ইতিহাসে আমেরিকার ভোটে এমন বড় ধরনের বিপর্যয় কখনও হয়নি।

এখন দেখা যাক ১৯ ডিসেম্বরের ইলেক্টোরাল ভোটের ফলাফল কি হতে পারে। উলটে যেতে পারে পাশার দান যেকোন মুহুর্তে।

আপনার মন্তব্য
(Visited 1 times, 1 visits today)

About The Author

Bangladeshism Desk Bangladeshism Project is a Sister Concern of NahidRains Pictures. This website is not any Newspaper or Magazine rather its a Public Digest to share experience and views and to promote Patriotism in the heart of the people.

You might be interested in