বঙ্গবন্ধু -১ – বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ!


প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে। নতুন বিজ্ঞানের ধারায় একটু দেরীতে হলেও বাংলাদেশ এখন যুক্ত হয়েছে। এসেছে সাবমেরিং ক্যাবল, ইন্টারনেট হয়েছে সহজলভ্য, কম্পিউটার এবং মোবাইল ফোন এখন বেশ সবারই হাতে হাতে। কিন্তু তাতে থেমে থাকলে চলবে না। এগিয়ে যেতে হবে আরো বহুদুর। আর তারই ধারাবাহিকতায় গত বছরের জুন মাসে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রন কমিশন কর্তৃক এই স্যাটেলাইট প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হলে এ বছরের ১৬ই ডিসেম্বর উড়াল দেবে মহাকাশের পথে বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট।

এই স্যাটেলাইট উতক্ষেপনে প্রাথমিক ভাবে খরচ ধরে নেয়া হয়েছে ৩ হাজার ২৪৩ কোটি টাকা এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার ১ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা নিজেদের তহবিল থেকে এবং বাকি ১ হাজার ৬৮৮ কোটি টাকা বিদেশী সংস্থার কাছ থেকে ঋন হিসেবে নেয়া হবে। এক্সিম ব্যাঙ্ক যুক্তরাষ্ট্র, এইচএসবিসে ফ্রান্স, জাপান ব্যাংক অব ইন্টারন্যাশনাল, সিডব্লিউজি গালফ ইন্টারন্যাশনাল অব ইউকে এবং চায়না গ্রেটওয়াল ইন্ডাস্ট্রি কর্পোরেশন এও প্রকল্পে ঋন দিতে আগ্রহ দেখিয়েছে। (সূত্র – ইউকিপিডিয়া)।

ইতিমধ্যে এই স্যাটেলাইটের জন্য মহাকাশে কক্ষপথ কিনে নিয়েছে বাংলাদেশ। রাশিয়ার উপগ্রহ কোম্পানী স্পুটনিকের কাছ থেকে কক্ষপথ কেনার আনুষ্ঠানিক চুক্তি হয়েছে। মহাকাশের ১১৯ দশমিক ১ পূর্ব দ্রাঘিমায় ২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার বা প্রায় ২১৯ কোটি টাকায় কেনা হয়েছে এই স্লট। এখানেই ঘুরপাক খেতে থাকবে দেশের প্রথম স্যাটেলাইটটি। স্লটটি কেনা হয়েছে ১৫ বছরের চুক্তিতে তবে আরও দুবার চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে বিআরটিসি।

মাত্র ৭ বছরে উঠে আসবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের খরচ। এমনটাই বলছেন বিআরটিসি। এই আয়ের ৭০ ভাগ আসবে বিদেশ থেকে আর বাকী ৩০ ভাগ আসবে দেশ থেকেই।

 

আপনার মন্তব্য
Previous কম্পিউটার বিক্রির নামে ফাঁদ ! !
Next পুতিনকে ট্রাম্পের শুভেচ্ছা!