চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজারের হোটেলগুলোর প্রমোশনের জন্য একটি বিশেষ পদক্ষেপ

27
SHARE

বাংলাদেশীজম প্রজেক্ট বরাবরই বাংলাদেশের ট্যুরিজমকে প্রমোট করার জন্য কাজ করে আসছে বেশ অনেক বছর ধরে নিজেদের গরজেই। বাংলাদেশকে আরেকটু উপরে উঠানোই যে বাংলাদেশীজম প্রজেক্টের কাজ। আর এই কাজগুলো আরো ভালভাবে কিভাবে করা যায় তা নিয়ে প্রতিনিয়ত আমরা অনেক রকম চেষ্ঠা করে থাকি। যেমন নানা ধরনের ট্রাভেল আর্টিকেল, জার্নাল, দেশের নানা প্রান্তের ছবি, আর ইউটিউবে নানা ধরনের ভিডিও। এসব আমরা সবসময় নিজেদের গরজেই করি। কিন্তু এতে পুরো ট্যুরিজম ইন্ডাস্ট্রীর তেমন কিছু হয় না। হয়তো কিছু জায়গা সম্পর্কে মানুষ জানতে পারে এই যা। তাই এবার একটু অন্য কিছু করার চেষ্টা করছি। প্রথমে শুরু করা হচ্ছে চট্টগ্রাম থেকেই কারণ বাংলাদেশীজম প্রজেক্ট তথা নাহিদরেইন্স পিকচার্সের হোমবেইজ তো চট্টগ্রামেই।

চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজারের হোটেলগুলোকে আমরা আরও বেশী করে প্রমোট করতে চাই যাতে মানুষ জানতে পারে হোটেলগুলো সম্পর্কে। কিন্তু বেশীরভাগ হোটেল বা হাতে গোনা কিছু হোটেল ছাড়া অন্যান্য অনেক যে ভাল হোটেল থাকতে পারে তা কিন্তু মানুষের অজানাই থেকে যায়। বিশেষ করে মাঝারি এবং ছোট হোটেল গুলো কখনও কোটি টাকা খরচ করে নিজেদের প্রচার করতে পারে না। অনেকটা আড়ালেই থেকে যায়। আর সবার পক্ষে ফাইভ স্টার হোটেলে থাকাটাও সম্ভব না।

তাই, বাংলাদেশীজম প্রজেক্টের মূল প্রতিষ্ঠান নাহিদরেইন্স পিকচার্স থেকে একটা ডকুমেন্টারী প্রজেক্ট প্ল্যান করা হয়েছে। আগ্রহী হোটেলগুলো চাইলে এই ডকুমেন্টারী প্যাকেজের সুবধা নিতে পারে। এসব ডকুমেন্টারী বা প্রমোশনাল ভিডিও বানানো হবে অতি অল্প খরচে। সাধারনত বড় হোটেলগুলো কোটি টাকা খরচ করে নিজেদের বিজ্ঞাপন প্রচারনা চালায়। সেক্ষেত্রে আমরা খুব অল্প খরচে এধরনের ডকুমেন্টারি ভিডিও বানিয়ে দেব নানা হোটেলগুলোকে আর এসব ভিডিও নিয়ে আমরা আমাদের ফেসবুক পেজ এবং ইউটিউবে আপলোড করব সবার দেখার জন্য যাতে করে মানুষ জানতে পারে। আর ভিডিওগুলো তাদেরকেও দিয়ে দেয়া হবে যাতে করে নিজেরা মার্কেটিং করতে পারে। ৫ থেকে ১০ মিনিটের এসব ডকুমেন্টারীতে খরচ পড়বে মাত্র দেড় থেকে দু’লক্ষ টাকা। কিন্তু এসব ডকুমেন্টারী বানানো হবে অত্যাধুনিক সব প্রযুক্তি, ফোর-কে ক্যামেরা এবং দক্ষ ক্রু দিয়ে। খুব অল্প টাকায় করার কারনে এসব প্রজেক্ট সাধারনত ২/১ দিনের মধ্যেই শেষ করতে হবে। চট্টগ্রাম আর ঢাকার মধ্যম বা ছোট হোটেলগুলো প্রচারের অভাবে অনেকটা পড়েই থাকে সারা বছর। আর ঢাকার নামী-দামী এড ফার্মে কোটি টাকা দিয়ে বিজ্ঞাপন বা মার্কেটিং ক্যাম্পেইন করার মত ক্ষমতাও নেই। যে কারনে অনেকাংশে পিছিয়ে যায় তারা। আর এধরনের হোটেলগুলো পিছিয়ে যাওয়া মানে ট্যুরিজম ইন্ডাস্ট্রী পিছিয়ে যাওয়া। আর তাই আমাদের এসব হোটেলগুলোর কথা সবার সামনে তুলে ধরতে হবে।

প্যাকেজের আওতায় আছে –

  • ১টি ৫-১০ মিনিটের প্রামান্য চিত্র ঘরানার ভিডিও – পুরো হোটেলটির উপর।
  • কিছু প্রফেশনাল ফটো শুট
  • প্রতিটি হোটেলের ভিডিও আপলোড করা হবে বাংলাদেশীজমের ফেসবুক পেইজ, ওয়েবসাইট এবং ইউটিউব চ্যানেলে যাতে করে লক্ষ মানুষ তা দেখতে পারে।
  • প্রতিটি প্রামান্য চিত্রে খরচ হবে দেড় থেকে দুই লক্ষ টাকা মাত্র।
  • প্রতিটি প্রামান্যচিত্র তৈরী করতে সময় লাগবে ৭-১০ দিন।
  • প্রতিটি ভিডিও এবং ছবিগুলোর কপি দেয়া হবে হোটেল গুলোকে যাতে তারাও এগুলো কাজে লাগাতে পারেন এবং হোটেলে থাকা টিভি গুলোতে দেখাতে পারেন।
  • প্রতিটি ভিডিও ধারন করা হবে অত্যাধুনিক সিনেমা ক্যামেরাতে ফোর-কে বা সিক্স -কে রেজুলেশনে।
  • প্রতিটি হোটেল মালিকের একটি করে ইন্টারভিউ দেয়াহবে তাদের ভবিষ্যত প্ল্যান সবার সাথে শেয়ার করার জন্য।
  • প্রতিটি ভিডিও যখন বাংলাদেশীজমের ওয়েবসাইটে দেয়া হবে তখন পাবলিক রেটিং এর ব্যবস্থা করা হবে যাতে করে সবাই হোটেলটির মান সম্পর্কে জানতে পারে।

ইতিমধ্যে অনেক হোটেলই আমাদের সাথে কাজ করেছে কিন্তু এটি সম্পূর্ন ভিন্ন একটি প্রজেক্ট। যেসব হোটেল বা হোটেল মালিকরা আগ্রহী, তারা যোগাযোগ করতে পারেন আমাদের চট্টগ্রাম অফিসে।  আমাদের ফোন নাম্বার – ০৩১ – ২৫২ ৮৭৫২ অথবা আমাদের ইনবক্স করতে পারেন ফেসবুক পেজে – FB.com/nahidrains -এ। আশা করি আমাদের এই বিশেষ চেষ্টাটি দেশের পর্যটক খাতে একটি ভাল ভূমিকা রাখবে।

আপনার মন্তব্য