in

অভিশপ্ত পুকুর- পর্ব ১

রাত ১১ টার একটু বেশি হয়েছে। সাকিব আর আমি বসে আছি বাসার ছাদের উপর। সাকিব আমার খুব ভালো বন্ধু। দুইজনে একই বাসায় থাকি। আমার বাড়ি চিটাগাং আর সাকিবের গ্রামের বাড়ি কক্সবাজার। দুই জনে একি কোম্পানিত চাকরি করি, সেখান থেকেই দুইজনের পরিচয়। সাকিব অনেকবার আমাদের গ্রামে গেছে, আমিও অনেকবার সাকিবদের গ্রামে গেছি। তাদের গ্রামটা বেশ সুন্দর, তবে সবচাইতে বেশি সুন্দর একটা জমিদার বাড়ি। বাড়িটা বেশ সুন্দর, সেখানে এখন কেউ থাকে না, সেটার মালিক এখন সরকার। সেটা এখন পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে গড়ে উঠেছে। সেখানে অনেকেই আসে। আমিও বেশ কয়েকবার গিয়েছিলাম সেখানে। ভালো লেগেছিল আমার। বাড়িটার সামনে একটা অসাধারণ ফুল বাগান। সেখানে নানা ধরনের ফুলের গাছ রয়েছে। ফুলের বাগানের পাশেই একটা সুপারি গাছের বাগান। বাগানের মাঝ খানে গিয়ে উপরের দিকে থাকালে ভীষণ ভালো লাগে আমার। বাগানের পাশেই বিশাল বড় একটা পুকুর। পুকুরের চারপাশেও বেশ কিছু সুপারি গাছ আছে। পুকুরটা ভীষণ সুন্দর, পানিগুলোও অনেক পরিষ্কার। যতবার জমিদার বাড়িতে গিয়েছিলাম ততবার পুকুরের ঘাটে গিয়ে বসে থাকতাম। পরিবেশটা ভীষণ সুন্দর, এই রকম পরিবেশ গ্রামে ছাড়া আর কোথাও পাওয়া যায় না। শহরের মানুষগুলো যখন গ্রামে এই রকম পরিবেশ দেখে তখন তারা অবাক হয়ে যায়। অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে পরিবেশের দিকে। আসলে তারা অবাক হয় নি, ইট পাথরের দানবগুলি দেখতে দেখতে তাদের চোখটা এক রকম পাথর হয়ে গেছে। তাই এমন পরিবেশ দেখে সবাই আনন্দে লাফিয়ে উঠে।
.
সাকিব আর আমি ছাদে বসে গল্প করছি। গল্পের কোন বিষয় নেই, যেটা মনে আসছে সেটা নিয়েই গল্প করছি দুইজনে। এই রকম আমরা প্রতিদিন করি, রাতে যখন ঘুম আসে না তখন দুইজনে মিলে ছাদে উঠে জমিয়ে গল্প করি। নীরব রাতে দুইজন মানুষ ছাদে বসে গল্প করলে মনটা খারাপ থাকলেও সেটা মুহূর্তে ভালো হয়ে যায়।
– দিগন্ত কাল থেকে তো লম্বা ছুটি। কোথায় কাটাবি ছুটি?
সাকিবের কাথা শুনে আমি সাকিবের দিকে তাকালাম। কফির মগে চুমুক দিয়ে বললাম,
– কোথায় আবার যাব নিজ গ্রামে যাব।
– তোকে একটা কথা বলি?
– কী কথা বল?
– আমাদের গ্রামে গেছিস তো অনেক দিন হল চল এবারের ছুটিটা দুইজনে মিলে এক সাথে কাটাই।
– না রে গ্রামে গেছি অনেক দিন হল। এবার একটু গ্রামের মুখটা দেখে আসি।
– আর একবার না হয় যাবি, এবারের ছুটিটা আমাদের সেখানে কাটা, তাছাড়া আমাদের গ্রাম তোর অনেক পছন্দ। তাই সমস্যা হবে না, দুইজনে খুব মজা করে ছুটিটা কাটাতে পারব।
– না রে যাব না।
– না তোকে যেতেই হবে। আব্বু আম্মু বলছে এবার তোকে নিয়ে যেতে, আর আমি তোকে ছাড়া এই শহর ছেড়ে কোথাও যাচ্ছি না।
কথাটা বলা শেষ করতেই সাকিবের ফোনটা বেজে উঠল।
– কে কল করেছে এত রাতে?
– বাসা থেকে, দেখি কী বলে।
সাকিব কী কথা বলছে সেটা আমি শুনতে পারছি কিন্তু ওপাশের শব্দগুলো শুনতে পারছি না। সাকিবের কথা শুনে মনে হচ্ছে কোন একটা দুর্ঘটনা ঘটেছে। কিছুক্ষণ কথা বলার পর, সাকিব ফোনটা রেখে দিল। লাইটের আলোই সাকিবের মুখে মন খারাপের স্পষ্ট দৃশ্য দেখতে পারছি আমি। সাকিব মন খারাপ করে সামনে দিকে তাকিয়ে আছে, তার মুখ দিয়ে কোন কথা বের হচ্ছে না। চোখের কোণায় স্পষ্ট জল দেখতে পারছি আমি।
– কী হয়েছে সাকিব?
আমার কথা শুনে সাকিব আমার দিকে তাকাল। তার চোখ থেকে এক ফুটা অশ্রু গড়িয়ে পড়ল। আমি তার কাছে গিয়ে বসলাম।
– কী হয়েছে কান্না করছিস কেন?
– আমার একটা চাচাতো ভাই আছে। নাম আরিফ।
সাকিবকে থামিয়ে দিয়ে বললাম,
– হ্যাঁ, তাকে চিনি তো কী হয়েছে তার?
– সে আজ সন্ধ্যাই পুকুরে পড়ে মারা গেছে। কথাটা বলে সাকিব আবার মন খারাপ করে বসে রইল। চোখ থেকে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছে অবিরাম। আর আমি সাকিবের কথা শুনে চমকে উঠলাম। আরিফ সাকিবের চাচাতো ভাই তবে ওরা ভাই এর মতো থাকে না, দুইজনে বন্ধুর মতো চলাফেরা করে। এত বড় একটা ছেলে কীভাবে পানিতে পড়ে মারা গেল মাথায় ঢুকছে না।
– সাকিব মন খারাপ করিস না, এই পৃথিবীর সবাই তো একদিন মরে যাবে।
সাকিব ভেজা কন্ঠে বলল,
– হ্যাঁ জানি। কিন্তু এভাবে চলে যাবে সেটা ভাবি নি।
– শুন কার মৃত্যু কখন কীভাবে হবে সেটা আমরা কেউ জানি না। আচ্ছা এটা বল ও কী সাঁতার জানত না?
– আরিফ খুব ভালো সাঁতার জানে।
সাকিবের কথা শুনে চিন্তাই পড়ে গেলাম। কিছুক্ষণ ভাবার পর বললাম,
– আচ্ছা ওর কি কোন শত্রু ছিল?
– না, আমার জানা মতে ওর কোন শত্রু নেই।
– তাহলে এত বড় একটা ছেলে পানিতে পড়ে মারা গেল কীভাবে?
সাকিব আমার কথার জবাব না দিয়ে মাথা নিচু করে বসে আছে। বুঝতে পারছি সে মৃত্যুটা মেনে নিতে পারছে না। না পারারই কথা, এত বড় একটা ছেলে পানিতে পড়ে মারা গেল সেটা কেউ মেনে নিতে পারবে না।
– কখন যাবি?
– এত রাতে কিছু পাব না, কাল সকালে যাব।
– ঠিক আছে আমিও যাব তোর সাথে। চল এখন রুমে যাই।
– না রে তুই যা, ভালো লাগছে না আমার।
– আরে এত ভেঙ্গে পড়লে চলবে? চল তো।
এক প্রকার জোর করে সাকিবকে রুমে নিয়ে গেলাম। রুমে গিয়ে দুইজনে শুয়ে পড়লাম। দুইজনের কারও চোখে ঘুম নেই। সাকিব নীরবে কান্না করে যাচ্ছে। আর আমি ভেবে যাচ্ছি। ভেবেছিলাম এবারের ছুটিটা বাবা মার সাথে খুব মজা করে কাটাবো। কিন্তু তা আর হবে না, আরিফের মৃত্যুটা আমার স্বাভাবিক বলে মনে হল না। নিশ্চিত এর পিছনে কোন একটা কারণ আছে। কারণটা জানতে হলে আমাকে তাদের গ্রামে যেতে হবে। মৃত্যুটাতে আমি রহস্যের গন্ধ পাচ্ছি। সারা রাত ব্যাপারটা নিয়ে ভাবলাম, ভোরের দিকে চোখে ঘুম নেমে আসল।
.
সাকিবের ডাকে ঘুম ভাঙ্গল। চোখে খোলে দেখি সাকিব রেডি হচ্ছে। মোবাইল হাতে নিয়ে দেখি ৯.০০ টা হয়ে গেছে। সাকিব আমার দিকে তাকিয়ে বলল,
– তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে নে, সকাল ১০ টাই বাস ছেড়ে দিবে।
– ঠিক আছে। আমি রেডি হয়ে আসছি।
শুয়া থেকে উঠে তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে নিলাম। নাস্তা করে বের হয়ে গেলাম সাকিবের গ্রামের উদ্দেশ্যে।

দীর্ঘ অনেক সময় জার্নি করার পর আমরা এসে পৌঁছালাম সাকিবের গ্রামের বাড়িতে। গ্রামে ঢুকতেই চমকে উঠলাম আমি। এই গ্রামটা আগের সেই গ্রাম নেই, গ্রামের সব মানুষ কেমন যেন নীরব হয়ে আছে। মনে হচ্ছে তারা একটা ভয়ের মধ্যে আছে। গ্রামের চারপাশে নীরবতা, আর নীরবতা। সাকিব এখনও মন খারাপ করে আছে। চোখের কোণাই অশ্রু দেখা যাচ্ছে। আমি কিছু বললাম না। সামনের দিকে হাঁটছি আর চারপাশটা দেখছি। বাসস্টপ থেকে দুইজনে একটা রিকশা নিয়ে চললাম সাকিবের বাড়ির উদ্দেশ্যে।
.
গ্রামের এই রকম অবস্থা দেখে আমি চিন্তাই পড়ে গেলাম। গ্রামটা ছিল হাসি খুশিতে পরিপূর্ণ একটা গ্রাম, হঠাৎ কী এমন হল যে যার কারণে গ্রামের সকল কিছু নীরব হয়ে আছে। মাথা কাজ করছে না। এখন এগুলো নিয়ে ভাববো না, এখন ভাবতে হবে আরিফের মৃত্যুটা নিয়ে। আরিফের মৃত্যু কীভাবে হল সেটার একটা পরিকল্পনা করলাম আমি। পরিকল্পনাটা এমন যে আরিফের হয়তো কোন শত্রু ছিল যা কেউ জানে না। সেই শত্রু গুলো তাকে যেকোন কারণে মেরে পানিতে ফেলে গেছে যাতে তাদের কেউ ধরতে না পারে। এটা নিয়ে ভাবতে ভাবতে চলে আসলাম সাকিবদের বাড়িতে। বাড়িতে অনেক মানুষ দেখা যাচ্ছে। সবাই নীরব, সাকিব আর আমি গিয়ে আরিফের লাশের পাসে দাঁড়ালাম। সাকিব আরিফের পাশে বসে কান্না করছে, তার পাশেই আরিফের মা ভাই বোন বসে কান্না করছে। তার বাবাকে দেখলাম একটা জায়গায় মাথা নিচু করে বসে আছে। বুঝলাম উনি সবার আড়ালে কান্না করছেন। বাবাদের কান্না দেখা যায় না, তারা বড়ই অদ্ভুত। হয়তো এই মানুষটির ভিতরে এখন একটা তুফান বয়ে যাচ্ছে। যেটা না পারছে কাউকে দেখাতে না পারছে কাউকে বলতে। প্রতিটা বাবা এমনি হয়, তাদের ভিতরে কী হচ্ছে সেটা কাউকে বলতে পারে না।
.
নিজের ছেলেকে নিজ কাঁধে করে কবরে নিয়ে যাওয়া, নিজ হাতে কবর দেওয়া, নিজ হতে কবরে মাটি দেওয়া। এই সকল কাজের চাইতে বড় কষ্ট আর কিছু নেই। পৃথিবীর সবচাইতে বেশী কষ্ট নিজের ছেলেকে নিজ হাতে কবর দেওয়া। এই কষ্ট মেনে নেওয়া খুব কঠিন।
.
ছেলের নিস্তব্ধ দেহ দেখে কোন মা ঠিক থাকতে পারে না। নিজের ছেলের মৃত দেহ কোন মা দেখতে চাই না। তার এই মৃত্যু মেনে নিতে পারে নি। সত্যি এদের কষ্ট দেখে আমারও ভীষণ কষ্ট হচ্ছে। আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলছি যদি আরিফকে কেউ খুন করে থাকে তাহলে আমি থাকে ছাড়ব না, বাবা মায়ের এই কষ্টটা তাকে বুঝিয়েই ছাড়ব আমি।
.
আরিফের একটা বড় ভাই আছে সে বাহিরের দেশে থাকে। সে চলে আসবে আজকে বিকালের মধ্যে। সে জন্য আরিফকে গাড়িতে রাখা হয়ছে। আমি আরিফকে দেখার জন্য গাড়ির পাশে গেলাম। গাড়ির গ্লাস দিয়ে স্পষ্ট দেখতে পারছি আরিফের মুখটা। অনেকদিন পর দেখলাম সেটা। আরিফ আমাকে খুব পছন্দ করত। আমি আসলেই সে তার সব কাজ ছেড়ে আমার সাথে সারা গ্রাম ঘুরে বেড়াত। আজকে আমি আসছি আর সে কত আরামে ঘুমাচ্ছে। সত্যিই একটা মৃত্যুর কারণে কয়েকটা জীবন পাল্টে যায়। আরিফের মুখের দিকে তাকালাম কোন কিছু মিলে কিনা দেখার জন্য। তেমন কিছুই পেলাম না, পানিতে থাকার কারণে তার মুখটা সাদা হয়ে গেছে।
.
বিকালের দিকে আরিফের বড় ভাই আসল বাড়িতে। সন্ধার সময় আরিফকে এলাকার কবরস্থানে কবর দেওয়া হল। আরিফকে কবর দিয়ে এসে সাকিবের বাড়িতে আসলাম। বাড়িটা নীরব হয়ে গেছে, একদম নীরব। কোথাও কারও কোন শব্দ পাচ্ছি না। সবাই শুধু নীরবে চোখের জল ফেলছে। হয়তো আরিফের মৃত্যুটা কেউ মেনে নিতে পারছে না। সাকিবও মন খারাপ করে বসে আছে। এমন মৃত্যু মেনে নিতে কেউ পারবে না। মন খারাপের এই দৃশ্য আমার দেখতে ইচ্ছা হচ্ছে না। তাই আমি বাড়ি থেকে বের হয়ে হাঁটা দিলাম।
.
আমি হাঁটছি রাস্তা দিয়ে। চারপাশের প্রকৃতিটা আজ নীরব হয়ে আছে। কোথাও কোন সাড়া শব্দ পাচ্ছি না। গ্রামটা কেমন যেন হয়ে আছে। গ্রামের মানুষগুলো এমন হয়ে আছে কেন বুঝলাম না। উদ্দেশ্যহীন ভাবে হাঁটছি। হাঁটতে হাঁটতে একটা দোকানের সামনে চলে আসলাম। দোকানটা চায়ের দোকান। দোকানে বসে কিছু বৃদ্ধ কথা বলছেন। আমি দোকানের ভিতর ঢুকলাম। একটা জায়গায় গিয়ে বসলাম। লোকগুলো কথা বলছি সেটা আমি শুনতে পারছি। লোকগুলো এই গ্রামের নীরবতা নিয়ে কথা বলছে। একটা লোক বলল,
– এই গ্রামটা কেমন যেন হয়েছে, চারাদিকে নীরবতা। মানুষগুলো সব সময় ভয়ে থাকে। কয়েকমাসে গ্রাম চেহারা কত পাল্টে গেছে।
লোকটির কথাই সম্মতি জানল অন্য লোকগুলো। উনাদের কথা শুনে আমি চিন্তাই পড়ে গেলাম। কয়েকমাস আগে গ্রামে কী এমন হল যে গ্রামের অবস্থা এই রকম হয়ে আছে। এই বিষয়টা আমাকে জানতে হবে। সব দিক দিয়ে রহস্য ঘিরে ফেলছে। কী সেই রহস্য। আমাকে জানতে হবে। দোকানে বসে যখন বৃদ্ধগুলোর কথা শুনছিলাম, ঠিক তখনি আমার মোবাইলটা বেজে উঠল। পকেট থেকে বের করে মোবাইলের স্কিনের দিকে তাকলাম। বাবা কল দিয়েছে। কলটা রিসিভ করলাম,
– দিগন্তকেমন আছিস?
– জ্বি বাবা ভালো, তুমি কেমন আছ?
– আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি, আজ থেকে না কি তোদের অফিস বন্ধ?
– হ্যাঁ বাবা।
– গ্রামে কখন আসবি?
– বাবা আমি সাকিবদের গ্রামে আসছি, ওর একটা চাচাত ভাই আছে সে গতকাল মারা গেছে।
– ওহ আচ্ছা, তা কখন আসবি?
– জানি না বাবা, আমি দেখছি কখন আসতে পারে।
– ঠিক আছে। তোর মা চিন্তা করছে।
– বাবা মাকে চিন্তা করতে নিষেধ কর, আমি আসছি।
বাবা কলটা কেটে দিল। মোবাইল পকেটে রেখে আবার লোকগুলোর কথায় মনোযোগ দিলাম।
– আজকে কত বড় একটা ছেলে পানিতে পড়ে মারা গেল। এই কয়েকমাস ধরে তার মতো অনেক ছেলেই এভাবে মারা গেছে। এই গ্রামে কী হচ্ছে কে জানে?
কথাটা শুনে আমি আরও বেশি অবাক হয়ে গেলাম। আরিফের মতো আরও অনেক ছেলে মারা গেছে? কথাটা আমার কেমন যেন লাগল। আমি এবার নিশ্চিত এটার পিছনে যেকোন একটা কারণ আছে। কারণটা এখন অবশ্যই আমাকে জানতে হবে। এবং সেটা খুব তাড়াতাড়ি। আমার হাতে সময় বেশি নেই, ১২ দিন পর আবার অফিস খুলবে। এমনে অফিসের ছুটি ৮ দিনের। অফিসের এমডি ছুটিটা আরও বাড়িয়েছে। হঠাৎ মোবাইলটা আবার বেজে উঠল। সাকিব কল দিয়েছে, কলটা রিসিভ করলাম,
– দিগন্ত কোথায় তুই?
– এই তো একটু বাহিরে।
– আচ্ছা বাসায় আই।
– ঠিক আছে আসছি।
বসা থেকে উঠে দোকান থেকে বের হয়ে গেলাম। মাথার মধ্যে বার বার লোকগুলোর কথা ঘুরছে। গ্রামে কী এমন ঘটল? যার কারণে এতগুলো ছেলে মারা যাচ্ছে।

What do you think?

Written by Md Sadman Hafij

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Loading…

0

Comments

0 comments

বিউটি বোর্ডিং-পুরান ঢাকার হলদে দালান

“বিশ্ব স্কাউট জাম্বুরী” উচ্ছ্বাসে তারুণ্যের মেল বন্ধন (স্কাউটিং পর্ব-৬)