in

এই বাংলাদেশ হবে দক্ষিণ এশিয়ার শান্তিপূর্ণ-উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে আহ্বান জানিয়েছেন শিশু-কিশোরদের প্রতি। গতকাল মঙ্গলবার সকালে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে জাতীয় শিশু-কিশোর কুচকাওয়াজ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন আজকের শিশুদের মধ্যেই কেউ প্রধানমন্ত্রী হবে, মন্ত্রী হবে, বড় বড় চাকরি করবে, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আজকের শিশু আগামী দিনের কর্ণধার। আমরা আমাদের শিশুদের সেভাবে গড়ে তুলতে চাই। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে, দেশকে ভালোবেসে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় তারা দেশ গড়ে তুলবে।’
বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে বলে সমবেত শিশু কিশোরদের উদ্দেশ্য করে বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ-হাসিনা। তিনি আরো বলেন তোমরাই গড়ে তুলবে আগামী দিনের বাংলাদেশ। ইনশাআল্লাহ এই বাংলাদেশ হবে দক্ষিণ এশিয়ার শান্তিপূর্ণ-উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ।’
শিশুদের জন্য বর্তমান সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘যুগের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের সন্তানরা যেন এগিয়ে যেতে পারে সেদিকে লক্ষ রেখেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’
শিশু-কিশোরদের উদ্দেশে বক্তব্যের পর প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পর্যায়ে শুদ্ধ সুরে জাতীয় সংগীত প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক—এই তিন ক্যাটাগরিতে বিজয়ী ৯০ জনকে পুরস্কৃত করা হয়।
পুরস্কার বিতরণের পর সারা দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিশু-কিশোরদের সংগঠন মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ পরিবেশন করে। কুচকাওয়াজের পর শিশু-কিশোরদের সমাবেশে এবারের থিম সং ‘নোঙ্গর তোল তোল সময় যে হল হল’ গানটি পরিবেশন করা হয়। গানের সুরের দোলায় স্টেডিয়াম মাঠ অতিক্রম করে দৃষ্টিনন্দন নৌকা। নৌকার পেছনে বর্ণাঢ্য গাড়িবহরের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন-অগ্রগতি তুলে ধরা হয়। সব শেষে শিশু-কিশোর সমাবেশের সবচেয়ে আকর্ষণীয় পরিবেশনা দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিশু-কিশোর সংগঠনের মনোমুগ্ধকর উপস্থাপনা উপভোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।
এই শিশু-কিশোরদের মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদের কুফল সম্পর্কে জানাতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এর হাত থেকে শিশুদের রক্ষা করতে হবে। অভিভাবক, বাবা-মা—তাঁদের অবশ্যই সব সময় লক্ষ রাখতে হবে সন্তান কোথায় যায়, কার সাথে মেশে, কিভাবে মেশে। সকলে যাতে লেখাপড়ার দিকে মনোযোগ দেয়। খেলাধুলা, শরীরচর্চা, নানা ধরনের প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে শিশুদের মনন ও মেধা যেন বিকশিত হয়।’

What do you think?

Written by Md Meheraj

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Loading…

0

Comments

0 comments

মালয়েশিয়ায় বান্ধবীকে নির্যাতনের দায়ে, বাংলাদেশি যুবকের ১০ বছর কারাদণ্ড

ইঞ্জেকশনে ফলের রসে সুস্থ দেহ, নাকি অস্বাভাবিক মরণ ফাঁদ?