in

আবিষ্কার হওয়ার পরেও ব্যান করা হয়ছে যেসব গ্রেজেটগুলো

প্রতি নিয়ত আমারদের জীবনকে সহজ করার জন্য কিছু না কিছু আবিষ্কার হয়েই চলেছে। তবে এই অসংখ্যা আবিষ্কারের মধ্যে কিছু আবিষ্কার এমন রয়েছে যা আমাদের ক্ষতিও করতে পারে। তাই আজকে আমরা এমন কিছু আবিষ্কার সম্পর্কে জানব যা আবিষ্কার হওয়ার পরে ভ্যান করা হয়েছিল।

ইলেক্ট্রিক ব্লাঙ্কেটঃ শীত প্রধান দেশে ইলেক্ট্রিক ব্লাঙ্কেট খুবই জনপ্রিয় একটি বস্তু। কারণ এগুলাতে ট্রেম্পেরেচার মেনুয়েলি সেট করা যায়। আলাদা করে হিটিং কন্ট্রোল করা যায় এমন কি এগুলোকে ওয়াশিং মেশিনেও ধোয়া যায়। কিন্তু এত সব সুবিধা থাকা সত্ত্বেও এই গ্রেজেটটি পৃথিবীর ভিবিন্ন দেশে ভ্যান করা হয়েছে। কম্বলের ভিতরে থাকা ইলেক্টিক মেটেরিয়াল এবং অতিমাত্রার গরম সেইফটি এক্সপার্টদের বিষয়টি নিয়ে দুশ্চিন্তায় ফেলে। এক্সপার্টদের মতে ইউনাইটেড কিংডমে প্রতি বছর ৫ হাজারেরও বেশি অগ্নি দূর্ঘটনা ঘটে। যার মধ্যে অধিকাংশ ঘটে ইলেক্ট্রিক কাপড় গুলোর সেইফটি রুল গুলো না মেনে চলার কারণে। অন্যদিকে এ ধরনের কাপড় ইউজ করলে শারীরিক সমস্যারও একটু সম্ভবনা থাকে। বিশেষ করে ছোট বাচ্চা,বৃ্দ্ধ এবং যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে।

স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ৭ঃ এই ফোনটি ২০১৬ সালের ১৬ আগষ্ট বাজারে আসে এবং ঐ মাসের ১৯ তারিখ তারা ফোনটি অফিসিয়ালি লঞ্চ করে। এই ভার্সনটি পূর্ববর্তী ভার্সন থেকে একটু আপডেট করা হয়েছিল এবং এতে রান করা হয়েছিল এন্ড্রোয়েড ৬.০.১ এবং খুবই পাওয়ারফুল একটি সিস্টেম। কিন্তু ফোনটির ইউজারেরা ফোনটি ইউজ করার সময় কয়েকটি সমস্যার সমুক্ষিন হন। সেইসাথে বেশ কিছু দেশে ফোনটি ভ্যান করে দেওয়া হয়। আমেরিকা স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ৭ ফোনটি ভ্যান করার তথ্য আপনি হইতো কোন পেপার পত্রিকায় হলেও দেখেছেন। ২০১৬ সালের ১১ অক্টোবর ফোনটির উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়। স্যামসাং তাদের শো-রুমদের নির্দেশ দেয় এই ফোনটি বিক্রি বন্ধ করে দেওয়ার জন্য। সেই সাথে ইউজারদের নির্দেশ দেওয়া হয় ফোনটি টার্ন অফ করে ইউজ করার জন্য এবং এসবের পিছনে অনেকগুলো কারণ জড়িত ছিল। যার মধ্যে অন্যতম কারণ হল ওভার হিটিং এবং এক পর্যায়ে ফোন থেকে ধোঁয়া বের হয়ে আসা। এমনকি অনেক স্থানে ফোনটি ব্লাস্ট হওয়ার সংবাদও পাওয়া গিয়েছে। এসবের পিছনে ব্যাটারির ডিজাইনে থাকা গন্ডগলটি হাইলাইট করা হয়। যে ফোনটির সাথে হার্ডওয়্যার এডজাস্ট করতে পারছে না তবে ভবিষ্যতে যেন এধরনের ঘটনা আর না ঘটে সে ব্যাপারে স্যামসাং বর্তমান ফোনগুলোতে নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।

স্পাই পেনঃ কিছু দেশ এসব গ্রেজেটের ব্যাপারে খুবই সতর্ক। অর্থাৎ অন্যের উপরে নজরদারি করা যায়। যা দিয়ে ফুল এইচ ডি কোয়ালিটিতে ভিডিও এবং অডিও রেকর্ড করা সম্ভব এবং এটা দেখতে কলমের মত হওয়ায় বাহির থেকে বুঝা যায় না যে এটার ভিতর কি আছে। এটার ভিডিও কোয়ালিটি অত্যন্ত ভাল এবং এটা দিয়ে আশেপাশে কে কি করছে বা কি ঘটছে সবকিছু রেকর্ড করা সম্ভব। যদিও এ ধরনের কলম এখন অনেকের কাছে দেখতে পাওয়া যায়। বিশেষ করে স্পাই মুভি ফ্যানদের কাছে।

ই-সিগারেটঃ আপনি কি কখনো পাবলিক প্লেসে অন্যের সিগারেট খাওয়ার জন্য বিরক্ত হয়েছেন? তো এখন আপনার জন্য একটি ভাল খবর রয়েছে। আর সেইটি হল অধিকাংশ দেশে এটি এখন ভ্যান করা হয়েছে। বিশেষ করে ইলেক্ট্রিক সিগারেট, বাহিরের দেশে ইলেক্ট্রিক সিগারেটের বহুল প্রচলন রয়েছে। এগুলোর আবার আলাদা আলাদা প্রকারভেদও রয়েছে। কিছু সিগারেটে সামন্য পরিমান নিকোটিন মিশ্রিত থাকে আবার কোনটিতে শুধু মাত্র ফ্লেভার দেওয়া থাকে। এই ইলেক্ট্রিক সিগারেট গুলো সাধারণ সিগারেট থেকেও বেশি ক্ষতিকর। আবার কিছু কোম্পানী দাবী করেন যে এটির মাধ্যমে আপনি নেকোটিনের এডিকশন থেকে মুক্তি পাবেন। কিন্তু ২০০৮ সালের একটি ঘটনায় দেখা যায় তাদের থেকে এমন কোন প্রমাণ ছিল না যে, এটা সিগারেটের নেশা কমাতে সাহায্য করে। কিছু কিছু দেশে এটিকে ফ্যাশন হিসেবে ব্যবহার করা হয়। যাতে এটার পপুলার্টি বৃদ্ধি পায়। ২০০৯ সালে একটি গবেষনায় দেখা যায় বাজারে থাকা সাধারণ সিগারেট গুলোর থেকে এগুলো আরো বেশি ক্ষতিকর। কিন্তু তারপরও অনেক কোম্পানী দাবি করে থাকে তাদের প্রোডাক্ট সেইফ। কিন্তু কেউ উপযুক্ত প্রমাণ দিতে পারেনি যে, তাদের প্রোডাক্ট নিরাপদ।

What do you think?

Written by Md Meheraj

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Loading…

0

Comments

0 comments

বিশ্বের ক্ষুদ্রতম রকেট কোম্পানি

এস এস আমেরিকা দ্যা ক্রজ