Featured Stories

সিলেটে সদ্য শেষ হওয়া জঙ্গি দমন অভিযান নিয়ে কিছু মানুষের মাথা ব্যাথার শেষ নেই। তাদের নানা অভিযোগ, নানা গল্প। কেউ বলছেন এটাকে “নাটক”। আবার কেউ বলছেন হলিউড সিনেমার অংশ। কিছু কিছু সুশীল সমাজের ব্যক্তিত্ব নিজেদের তথাকথিত ফেসবুক ওয়ালে মুখে ফ্যানা

কথায় কথায় আজকাল নিজের দেশকে ছোট করা একটা ফ্যাশনে দাড়িয়েছে। মিটিং-এ, মিছিলে, ব্যানারে, রাস্তায়, আড্ডায়, টিভিতে, নাটকে, সিনেমায় – হেন কোন জায়গা নেই, যেখানে আমরা নিজের দেশকে ছোট করি না। দেশে-বিদেশে তো আছেই!। বিদেশে একটা জিনিষ অনেকেই করেন – অন্যের

চট্টগ্রামে সীতাকুণ্ডের তালতলা এলাকায় একটি জঙ্গি আস্তানার সন্ধান পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বুধবার (১৫ মার্চ) বিকাল সাড়ে ৩টা থেকে পুলিশ এলাকাটি ঘিরে রেখেছে। পরে জঙ্গি আস্তানা থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছুড়ে মারা হয়েছে। গ্রেনেডের স্প্লিন্টারে সিতাকুণ্ড থানার ওসি

বাংলাদেশের যদি পারমানবিক বোমা থাকত তাহলে কি হত? ২/১ টা এটম বোমা থাকলে ৎ ক্ষতি নেই। প্রতিবেশীদের ৎ আছে? ৎ আমাদের কেন নেই? থাকলে বা কি হত?  সাবমেরিন ৎ হলো। আর এই টপিকটা নিয়েই আমাদের আজকের ভিডিও। দেখতে হলে চলে

এবছরের জানুয়ারীর ১ তারিখ থেকে অনেকেই অনলাইনে শূনে আসছেন একটি নাম বা লাইন – দ্যা চিটাগাং ড্রিমস। বিশেষ করে যারা বাংলাদেশীজম প্রজেক্টের সাথে কোন না কোনভাবে সংযুক্ত। ১লা জানুয়ারী বাংলাদেশীজম প্রজেক্ট থেকে নতুন এই প্রজেক্টের কথা ঘোষনা করা হয়েছিল ছোট্ট একটি

ফেব্রুয়ারী মাসের ১ তারিখ ঢুকলেই খুব দ্বন্দ্বে পড়ে যাই আজকাল। চারিদিকে রঙচঙা বিজ্ঞাপন। রাস্তাঘাটে বা ফেসবুকের ওয়ালে। ভালবাসার চিহ্ন দেয়া সব বড় বড় বিলবোর্ড, পোস্টার বা স্পন্সর করা ফেসবুক পোস্ট। ভালবাসা দিবসের বিশেষ নাটক, এলবাম, প্যাকেজ অফার, হোটেল অফার, বার্গার

মনে অনেকটা কষ্ট নিয়েই এই আর্টিকেলটি লিখছি। ফেব্রুয়ারী মাসের শুরু থেকেই একটা ব্যাপার খুব বেশী চোখে পড়ছিল। রীতিমত খোঁচা দিচ্ছিল চোখে। তা হল নানা বড় বড় কর্পোরেটগুলোন মুখরোচক ব্র্যান্ডিং। কারও কাছে আসার গল্প তো কারো আবার প্রেমের গল্প আবার কারো

আমাদের আজকের ভিডিওর টপিক হলো ৩ টি। ১। আরাফাত সানি ইস্যু। ২। আমেরিকার নতুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং বাংলাদেশ ৩। দ্যা চিটাগাং ড্রিমস। এটি আমাদের প্রতিদিনকার অনুষ্ঠান। দেখে ফেলুন নীচের ভিডিওটি। আপনাদের মতামতের জন্যই এই অনুষ্ঠান। সুতারাং নিজেদের মতামত অবশ্যই

অনেক আন্দোলন হচ্ছে বিদেশী টিভি সিরিয়াল এবং চ্যানেলগুলোকে বন্ধ করার জন্য। এবং আমরাও এই ব্যাপারে একমত। তবে এসব বন্ধ করার আগে মনে হয় কিছু ব্যাপার ভেবে দেখা জরুরী। কারণ আমরা যারা সাধারন দর্শক, তাদের কথা তো কেউ ভাবছেনা। অবশ্যই অপসংস্কৃতি

বাংলাদেশের সাবমেরিন কেনা নিয়ে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর মাথা ব্যাথার শেষ নেই। কিন্তু এতো সবে শুরু। চীন থেকে যে দুটি সাবমেরিন কিনে আনা হয়েছে এগুলো তো শুধু ট্রেনিং দেয়ার জন্য। কারণ আরো ৪টি সাবমেরিং আসছে রাশিয়া ভবিষ্যতে তখন ট্রেনিং প্রাপ্তরা সেই সাবমেরিনগুলো

চীন থেকে যখন বাংলাদেশে দুটি সাবমেরিন হস্তান্তর করা হলো বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জন্য, সে সময় পাশের দেশ ভারতের টিভি চ্যানেলগুলোতে এ নিয়ে চলছে নানা ধরনের ট্যক শো। পাকিস্তানও কম যায়নি এক্ষেত্রে। এগুলোর বিষয় বস্তু দেখলে মনে হবে বাংলাদেশের সাবমেরিং কেনাটা এদের

ফটোগ্রাফি এখন অনেকেরই শখ এবং পেশা আবার অনেকেই এই শখে বা পেশায় নামার চিন্তা ভাবনা করছেন। আর সবার আগেই চলে আসে ক্যামেরার কথা। সবারই একই চিন্তা, কোন ক্যামেরাটা কেনা যায়? কোন ক্যামেরাটা দিয়ে ভালভাবে কাজ করা যাবে। যদিও সৃষ্টিশীল এধরনের