আই এস জঙ্গিদের আস্তানায় ‘বাঙালি’ তরুণী ! ! !

25
SHARE

কিছু দিন আগে কাগজে খবর বেরল দুই বাংলাদেশি তরুণী যুক্ত রাজ্য থেকে বাবা মা কে , না বলে সিরিয়া চলে গেছে আই এস  জঙ্গিদের সঙ্গ দেওয়ার জন্য , জঙ্গিদের ইচ্ছা পূরণের জন্য স্বেচ্ছায় তারা বাড়ী ছেড়েছে ।

না কথাটা বিশ্বাস হয় না । বাঙালি তরুণীর এই কর্মকাণ্ড কেন জানি বাস্তবে বিশ্বাস করতে ইচ্ছা হয় না । কারণ ভারতে ইসলাম ধর্মের আগমন ঐতিহাসিকদের মতে, এই সপ্তম শতাব্দীর দিকে, আর জানা যায় যে ৬২৯ সালে কেরালায় “চেরেমান জুম্মা মসজিদ”  শ্রদ্ধেয় জনাব মালিক ইবনে দীনার নির্মাণ করেন।

তাহলে বাঙালি কৃষ্টিতে আরব দেশের মতো বেলি নাচ , ওই ভাবে জনপ্রিয় ছিল না । গনিমতের মাল হিসেবে

মেয়েদের বণ্টন করা বাঙালি সংস্কতিতে ছিল না । ভারতে বিশেষ করে মহাভারতে অর্জুনরা পাঁচ ভাই মিলে এক  দ্রপদীকে বিয়ে করছে। এ ছাড়া ভারতের অন্য কোথাও এক রমণীর বিভিন্ন পতি উপপতির official কোন নিদর্শন পাওয়া যায়নি।

বুদ্ধ দেব বসু (Budhdha Deb Basuঃ  তাঁর “ রাত ভরে বৃষ্টি” বইটিতে বন্ধু বন্ধুর বউ কে রাত ভরে সোহাগ করেছে।  তাতেই ভারতীয় আইন তা বাজারে বিক্রি করতে বারণ করে, বইটি ব্যান্ড হয় । এই যখন বাঙালির সেক্স নিয়ে এতো গোঁড়ামি সেখানে বাঙালি তরুণী সিরিয়া চলল জঙ্গিদের ছলাকলা দেখাতে ।  জ্বী  না,  বিশ্বাস হয় না । এখনো সমাজে, আমাদের সমাজে,  ইউরোপর মতো যৌনতা এতো বাড়াবাড়ি পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়েনি ।

যদিও আজকাল কাগজে প্রচুর রেপ  ও রেপের পর হত্যা, গন ধর্ষণ, ধর্ষণের পর ছবি তুলে পোস্টার ছাপান, গোপন ক্যামেরায় ছবি তুলে ইন্টারনেট এ, ছড়িয়ে দেওয়া, এগুল, এগুল  বর্তমান সমাজের কিছু অংশের মানসিক বিকার । সারা সমাজের চিত্র নয় ।   

তাই বিশ্বাস হয়না যে বাঙালি তরুণী জঙ্গিদের সংগ দিতে গেছে। যদিও যুক্তরাজ্য এসব ব্যাপারে বড় স্বাধীন দেশ। তাই সে দেশের মেয়েরা গেলেও যেতে পারে ।  তা কেবল জঙ্গিদের কেন তারা ইচ্ছা করলে ব্যবসায়ীদেরও সংগ দিতে যেতে পারে – তা তাদের ব্যক্তির ব্যাপার এ নিয়ে আমার কিছু বলার নেই ।

খালি কষ্ট লাগে যখন বলে বাংলাদেশি তরুণী সঙ্গ দিতে গেছেন ।

মানতে ইচ্ছা হয়না কারণ হাজার বছরের বাঙালির ইতিহাসে এই বিকার নেই।

তাই ভয় লাগে বাংলাদেশর উন্নয়ন দেখে কেউ আবার পিছে লাগছে না তো ।

এই বাঙালি তরুণীর গল্প মিডিয়ার সৃষ্টি নয় তো !!!!!!           

আপনার মন্তব্য