মাদ্রাসায় অসহনীয় শিশু নির্যাতন

19647
SHARE

কিছুক্ষন আগে ইনবক্সে আমাদের একজন ফ্যান আমাদের নক করে একটা বিষয়ে সাহায্য চাইলেন। উনার নাম মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া। শখ করে তার পরিবার উনার ছোটভাইকে একটি মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়েছিলেন। কিন্তু তার ছোট ভাই শিকার হলো চরম নিষ্ঠুরতার। তার ভাইয়ের বয়স ৫ বছর। ভাইটি চট্টগ্রামের প্রানকেন্দ্র আগ্রাবাদের মাহাদুল কোরআন আল ইসলামী একাডেমীতে নার্সারীতে পড়ে।

আজ সেই মাদ্রাসার হুজুর সেই ৫ বছরের বাচ্চাটিকে মেরে তার হাত ভেঙ্গে দিয়েছে। হাত ভাঙ্গার পর সেই বাচ্চাটা যন্ত্রনায় ছটফট করলেও বাচ্চাটিকে মাদ্রাসায় নিয়ে যায়নি। এমনকি বাসায় একটা ফোন করেও জানায়নি। ছুটি হবার সময় তার মেঝো ভাই বাচ্চাটিকে আনতে গিয়ে দেখেছিল বাচ্চাটিকে একটা টেবিলে শুইয়ে রেখেছিল আর বাচ্চাটি যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছিল। কোন পরিচর্যা নেই। বাচ্চাটির নাম – মোহাম্মদ মইনুল ইসলাম তাজিম।

তিনি সেই হুজুরদের “জঙ্গি বানানোর কারিগর”  হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন অনেকটা ক্ষোভের বশেই।

এর আগেও নাকি তার ভাইকে মারা হয়েছিল বেশ কয়েকবার কিন্তু বাচ্চাটির মা হুজুরকে মারতে নিষেধ করেছিল। আর এটার উপর রাগ হয়ে সেই হুজুর বাচ্চাটির হাত ভেঙ্গে প্রতিশোধ নিল। তার পাঠানো কিছু মেসেজ আমরা নীচে দিয়ে দিচ্ছি।

” আজ আমার ভাই যদি মারা যেত, তাহলে ওরা আমার ভাইকে কোথাও ফেলে দিয়ে বলত, ওতো বাসায় চলে গেছে।। ওরা মানুষ নামের জানোয়ার।।
.
আমি কোনোদিন আপনাদের কাছে কোনো রিকুয়েস্ট করি নাই।। আজ একটা #রিকুয়েস্ট করব, এই পোস্টটা শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন।। জানিয়ে দিন হুজুররা কতটা নিষ্ঠুর হতে পারে!!!
.
বিঃদ্রঃ সব হুজুররা কিন্তু খারাপ নয়! কয়েকজনের জন্য সবার দুর্নাম হয়।।
#আহ
আর কোনো তথ্যের জন্য প্রয়োজন হলেঃ
fb.com/mgkibrea
Contact: 01818910944″

উনাকে যখন জিজ্ঞেস করেছি পুলিশে অভিযোগ করেছেন কি না, তিনি বলেছেন কোন পুলিশী ঝামেলাই যেতে চান না। হয়তো উল্টো বিপদে পড়তে পারেন বলে। এই পোস্টের মাধ্যমে আমরা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। এটা কোন নিউজ না, এটি একটি ছোট পোস্ট আমাদের একজন ফ্যানের অনুরোধে। আশা করি উক্ত মাদ্রাসা, হুজুর এবং তাদের শিক্ষাদানের পদ্ধতি একটু খতিয়ে দেখবেন। একটা বাচ্চার এভাবে মেরে হাত ভেঙ্গে দেয়া অবশ্যই কোন ধরনের শিক্ষা পদ্ধতির মধ্যে পড়ে না।

 

আপনার মন্তব্য