আমাদের মাহফুজা এখন জায়ান্ট গুগলের কনসালট্যান্ট

32
SHARE

আমাদের মেয়ে মাহফুজা, বাংলাদেশের মেয়ে মাহফুজা, আরেকটু সহজ করে বলা যায় আমাদের গাজীপুরের মেয়ে মাহফুজা এখন বিশ্ব জায়ান্ট গুগলের গর্বিত স্টাফ।উচ্চ শিক্ষার জন্য গিয়েছিলেন মালয়েশিয়ায়। পড়াশোনা শেষ করার আগেই তাঁর মেধা এবং কৃতিত্বের জন্য বনে যান গুগলের কসালট্যান্ট।

বিশ্ববিখ্যাত গুগল মালয়েশিয়া অফিসে বাংলাদেশ নেপালের কনসালট্যান্ট হিসেবে নিয়োগ পান।বর্তমানে তিনি কুয়ালালামপুরে কেএল সেন্ট্রাল গুগল অফিসে কর্মরত।গুগল অফিসে বসে আমাদের মাহফুজা শুধু কনসালট্যান্সিই করছেন না, বরং গুগলের মাধ্যমে বাংলাদেশের পণ্যগুলো বিশ্বের দরবারে অনায়াসে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন। পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন বাংলাদেশকেও।

২০১১ সালে মালয়েশিয়ার খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় তেনাগা ন্যাশনাল ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন মাহফুজা কানান। গাজীপুরের কোনাবাড়ীর হাজি মোহাম্মদ মেজবাউদ্দিন এবং হাসিনা বেগমের মেয়ে মাহফুজা ২০০৮ সালে এমইএইচ আরিফ কলেজ থেকে এসএসসিতে জিপিএ এবং ২০১০ সালে এইচএসসিতে জিপিএ নিয়ে কৃতিত্বের সঙ্গে পাস করেন। সেই সঙ্গে স্কলারশিপও পান তিনি

মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি তেনেগা ন্যাশনালের (ইউনিটেন) ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে স্নাতক শেষ করে গুগলে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশের মাহফুজা কানান মারিয়াম। নিজের চেষ্টা আর পরিশ্রমই তার সাফল্যের মূল বলে সাংবাদিকদের জানালেন তিনি

শনিবার (২০ আগস্ট) ইউনিটেনের ১৯তম সমাবর্তনে অংশ নেওয়া এক হাজার ২০০ শিক্ষার্থীর একজন মাহফুজা কানান। ইয়াইয়াসান খাজানাহ ফাউন্ডেশন থেকে বৃত্তি পেয়েছেন তিনি। বিদেশে পড়াশোনা করে অনেক অভিজ্ঞতার পাশাপাশি জেনেছেন বহু সংস্কৃতি ভাষা। মালয়েশিয়ার খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক শেষ করতে পেরে গর্ববোধ করেন মাহফুজা।  

ইউনিটেনের ১৯তম সমাবর্তন অনুষ্ঠান শেষে এক প্রতিক্রিয়ায় মাহফুজা কানান বলেন, ‘দেখতে দেখতে মালয়েশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে চার বছর কাটিয়ে নিজেকে খুব সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে। বিশ্বের ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতিতে সার্টিফিকেট হাতে পেয়েছি। সত্যি খুব ভালো লাগছে। আজ আমি গর্বিত যে, আমি এত বড় এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রী ছিলাম।হ্যাঁ, সৌভাগ্যবান আমরাও, তোমার মতো মেধাবী মুখ মাহফুজাকে পেয়ে।

আপনার মন্তব্য